সংসদ সদস্য (এমপি) মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী সাবেক এমপি কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দ্বিতীয় দিনে আদালতে হাজির হননি সাক্ষীরা।
বৃহস্পতিবার গাইবান্ধার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল আদালত-১ এ জহুরুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম নামের দুইজন গ্রামপুলিশ এবং ফিরোজ কবীর ও জাহেদুল ইসলাম নামের অপর স্থানীয় দুইজন ব্যক্তির উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল।
আসামিপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম জিন্নাহ জাগো নিউজকে বলেন, আদালতে দুইজন গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় দুইজন ব্যক্তির উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা আদালতে হাজির হননি। তবে আবদুল কাদের খানকে আদালতে হাজির করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, এই মামলায় মোট সাক্ষী ১৫ জন। আজ মামলার দ্বিতীয় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত হননি।
এর আগে একই আদালতে গত ১৮ জুলাই অস্ত্র আইনে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবু হায়দার মো. আশরাফুজ্জামান সাক্ষ্য দেন।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ মনজুরুল ইসলাম লিটন সুন্দরগঞ্জের নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন।
এ ঘটনায় মনজুরুল ইসলামের বড়বোন ফাহমিদা বুলবুল বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
পরে একটি পিস্তল আবদুল কাদের খান থানায় জমা দেন ও একটি পিস্তল তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ নিয়ে অস্ত্র আইনে একটি মামলা করা হয়। পরে আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবু হায়দার মো. আশরাফুজ্জামান।
রওশন আলম পাপুল/এএম/জেআইএম