দেশজুড়ে

নিরাপদে ফিরেছে সাজেকে আটকা পড়া ৪ শতাধিক পর্যটক

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করেছে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

রোববার দুপরের দিকে বাঘাইহাট বাজার এলাকায় নৌকায় করে এদের উদ্ধার করা হয়। টানা বর্ষণের ফলে বাঘাইছড়ির বাঘাইহাট বাজার, মাচালং বাজারসহ সড়কের বিভিন্ন অংশ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেলে এসব পর্যটক সাজেকে আটকা পড়ে।

খাগড়াছড়ি রিজিয়নের স্টাফ অফিসার মেজর মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম জানান, খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে মাটি পড়ে ও সড়ক ডুবে যাওয়ায় খাগড়াছড়ির সঙ্গে সাজেক, বাঘাইছড়ি ও লংগদু সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এ অবস্থায় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে সাড়ে চার শতাধিক পর্যটক আটকা পড়ে। আটকে পড়া পর্যটকদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করেই খাগড়াছড়ি রিজিয়ন তাদের নৌকায় পার করার ব্যবস্থা করা হয়।

এদিকে, খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বন্যা পরিস্থিতি আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হলেও মাইনি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় দীঘিনালার মেরুং বাজার, সোহবানপুর, ছোট মেরুং, বাদলাছড়ি সহ কমপক্ষে ১০টি গ্রামের সহস্রাধিক পরিবার গত দুই দিন ধরে পানিবন্দি রয়েছে।

সেই সেঙ্গ দুই শতাধিক পরিবার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে। বন্যার কারণে মেরুংয়ের একটি উচ্চ বিদ্যালয়সহ পাঁচটি বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে।

এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রিতদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, ডালসহ শুকনা খাবার ত্রাণ সহায়তা হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

দীঘিনালা উপজেলা চেয়ারম্যান নব কমল চাকমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শেখ শহিদুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কেএম ইসমাইল হোসেন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রহমান কবীর রতন উপস্থিত থেকে এসব ত্রাণ বিতরণ করেন।

মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এএম/পিআর