দেশজুড়ে

রাজীবকে দ্রুত ঢাকা পাঠাতে বললেন স্বাস্থ্য বিভাগের ডিজি

জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশের দেড় ঘণ্টার মধ্যেই স্বাস্থ্য বিভাগের দৃষ্টিতে পড়েছে রাজীব। এর আগে সোমবার রাত ৮টায় “সাতক্ষীরার রাজীবও অজানা রোগে আক্রান্ত” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।

সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পর বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি আবুল কালাম আজাদ টেলিফোনে কথা বলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন মো. তাওহিদুর রহমানের সঙ্গে। রাজীব গাইনের চিকিৎসা সেবার জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন মো. তাওহিদুর রহমান জাগো নিউজকে জানান, জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর সেটি দেখেই বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি আবুল কালাম আজাদ আমাকে ফোনে রাজীবের চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আমাকে বলেছেন, রাজীব গাইনের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নিন। আগামী ২৩ তারিখের মধ্যেই রাজীব গাইনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। আমি ইতোমধ্যে রাজীব গাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলেছি। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখানে আসার পর মেডিকেল বোর্ড গঠন করে রাজীব গাইনের চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে আমরা তাকে চেষ্টা করবো ২/৩ দিনের মধ্যেই ঢাকাতে পাঠানোর।

এ ব্যাপারে তার পরিবারের সঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। জাগো নিউজের প্রতিনিধি হিসেবে আপনিও এসময় উপস্থিত থাকবেন বলে জানান সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন।

এদিকে, টাকার অভাবে ১৯টি বছর চিকিৎসা না হওয়া রাজীব গাইন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের যোগাযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, সিভিল সার্জন স্যার আমাকে ফোন দিয়েছেন। আমাকে যেতে বলেছেন। জাগো নিউজের মাধ্যমে এবার হয়তো আমার চিকিৎসার একটা উপায় হবে। আপনারা সকলে দোয়া করবেন আমার জন্য। আমি যেন আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো সুস্থ স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারি।

রাজীব গাইন (১৯) সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা বড়দল ইউনিয়নের মাদিয়া গ্রামের কার্ত্তিক চন্দ্র গাইনের ছেলে। জন্ম থেকেই বিরল ও জটিল রোগে আক্রান্ত। যে রোগের কোনো সঠিক নামই তারা আজো জানেন না। তার বাম হাতটি অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ফেপে উঠেছে। সেই সঙ্গে ফুলে ফেপে উঠেছে পিঠও।

আকরামুল ইসলাম/এমএএস/এমএস