মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, শোক দিবসে জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি কিসের আলামত? কারণ জঙ্গিরা একা নয়, তাদের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত রয়েছে।
সোমবার বিকেলে গাজীপুরের কালীগঞ্জে তুমলিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী ও ২১ আগস্ট গ্রেনেট হামলায় নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জঙ্গিদের মদদ দেয়ার কারণেই স্পষ্ট হয় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে কারা এদেশে সুবিধা ভোগ করেছে, অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছে, নিজেদের আখের গুছিয়েছে, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস করেছে, এদেশে বাংলাভাইদের উত্থান ঘটিয়েছে এবং সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের এই মাসে ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতির গলা চেপে ধরেছিল। কিন্তু ওই দুষ্কৃতকারীদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কারণ আওয়ামী লীগ জনগণ ও দেশের স্বার্থে রাজনীতি করে। এ কারণে আওয়ামী লীগ আন্দোলন থেকে কখনো পিছু হটেনি।
চুমকি বলেন, শোকের মাসে ২১ আগস্ট আরেক শোকের জন্ম দিয়েছে ঘাতকেরা। তারা আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করে জজ মিয়া নাটক তৈরি করেছিল। সেদিন বাংলাদেশের সর্বশেষ আশ্রয় জননেত্রী শেখ হাসিনাকেও হত্যা করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু মহান আল্লাহ সেদিন এদেশের জনগণের জন্য তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। অথচ এই ঘটনা সেদিনের সংসদে শোক প্রস্তাব পর্যন্ত রাখতে দেয়নি বিএনপি।
৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বাহারাম খানের সভাপতিত্বে ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবু নাছের মোহনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক কে.বি.এম. মফিজুর রহমান খাঁন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গনি ভূঁইয়া, সহ-সভাপতি পরিমল চন্দ্র ঘোষ, সদস্য মো. মাজেদুল ইসলাম সেলিম, তুমলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুবকর মিয়া বাক্কু, সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান, গাজীপুর জেলা পরিষদের সদস্য তাসলিমা রহমান লাভলী, উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ টিপু, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ওয়াহিদ হাসান প্রমুখ।
আব্দুর রহমান আরমান/আরএআর/এমএস