বগুড়ার কাহালুতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে এ ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদশীরা জানায়, দুপুরে কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র হেলাল উদ্দিন কবিরাজের বাসভবনে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় একদল যুবক। এ ঘটনার জের ধরে যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান রাজিব এবং ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত মিডিয়া পয়েন্ট নামের অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে ওই স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।ধাওয়া-পাল্টা চলাকালে ভাঙচুর করা হয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন কবিরাজের বাড়ির গেট, জানালার গ্লাস, পৌরসভার একটি মটরসাইকেল ও তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান কাহালু বাজারের বেলাল উদ্দিন সুপার মার্কেটের ২/৩টি দোকান। এ সময় আহত হন হেলাল উদ্দিন কবিরাজের দোকানের ম্যানেজার জাহিদুর রহমান (৩৪)।অপরদিকে, কাহালু খাদ্যগুদাম রোডে মিডিয়া পয়েন্ট নামে পরিচিত উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিকলীগের যৌথ কার্যালয়। কার্যালয়ের ভিতরে থাকা টিভি, আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয়রা বলছেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনা নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন কবিরাজ ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রাজীব একে অপরকে দোষারোপ করছেন।বগুড়া কাহালু উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রাজীব ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম রিপন জানান, মেয়র হেলাল উদ্দিন কবিরাজের লোকজন প্রথমে অর্তকিতভাবে আমাদের অফিসের হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে।কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র হেলাল উদ্দিন কবিরাজ জানান, যখন তার বাড়িতে হামলা করা হয় তখন তিনি বাড়িতেই ছিলেন। হঠাৎ করেই তার বাড়ির সামনে কয়েকটি কটকেল ফাটিয়ে বাসভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে রাজীবের লোকজন।বগুড়ার কাহালু থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সমিত কুমার কুন্ডু জানান, ওই এলাকায় অতিরিক্তি পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এখন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও জানান তিনি।লিমন বাসার/এআরএ/আরআই