দেশজুড়ে

কাঁঠালবাড়ী ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ভিড়

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। তাই প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা। বুধবার সকাল থেকেই মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে ঢল নেমেছে ঘরমুখো মানুষের। লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরিতে করে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে এসে নামছেন যাত্রীরা।

এদিকে মূল সড়ক থেকে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে পৌঁছানোর পর সড়কের প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র কাঁঠালবাড়ী ঘাট সূত্র জানিয়েছে, সকাল থেকেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা কাঁঠালবাড়ী ঘাট হয়ে বাড়ি ফিরছে। এ নৌরুটে ৮৭টি লঞ্চ, ১৭টি ফেরি ও শতাধিক স্পিডবোট যাত্রী সেবায় নিয়োজিত। নির্বিঘ্নে যাত্রীরা কাঁঠালবাড়ী ঘাটে এসে নামছেন।

ঢাকা থেকে কাঁঠালবাড়ী ঘাট পর্যন্ত পৌঁছাতে বাস, লঞ্চ ও স্পিডবোটসহ বিভিন্ন যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া না নেয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করছেন যাত্রীরা। তবে ভাঙ্গাসহ অভ্যন্তরীণ রুটের বাসগুলো দূরপাল্লায় চলায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় যাত্রীরা। তাদের কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুণে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।

প্রবল স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। শিমুলিয়া থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার ভাটি ঘুরে ফেরিগুলো কাঁঠালবাড়ি ঘাটে আসায় প্রায় ৪০ মিনিট সময় বেশি লাগছে। লঞ্চে ভিড় বেশি। ঘাট এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ, র্যাব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। পদ্মা পাড়ি দিয়ে এসে যাত্রীরা পড়ছেন চরম বিপাকে। কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে দক্ষিণাঞ্চলগামী সকল যানবাহন ও অভ্যন্তরীন সকল যানবাহনে দেড় থেকে দ্বিগুন ভাড়া অনেকাংশে আরও বেশি ভাড়া আদায় করছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র কাঁঠালবাড়ী ফেরি ঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিয়া বলেন, কাঁঠালবাড়ী ঘাটে ফেরিতে তেমন চাপ নেই। আমরা কাঁঠালবাড়ী থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গরুবাহী ট্রাকগুলো পারাপার করছি।

এ কে এম নাসিরুল হক/আরএআর/জেআইএম