সাতক্ষীরার তালা প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পূর্ণাঙ্গ কমিটি থাকা সত্ত্বেও তালা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে বেআইনিভাবে গঠিত কথিত আহ্বায়ক ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে গত ২ আগস্ট নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা করা হয়।
নিয়মবহির্ভূতভাবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসার তালা প্রেসক্লাব এই তফশিল ঘোষণা করে। সেখানে তালা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করা হয়েছে।
এই তফশিল অবৈধ ঘোষণার দাবিতে তালা প্রেসক্লাব সভাপতি এস.এম নজরুল ইসলাম গত ৮ আগস্ট তালা সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করা হলে তা গত ১৩ আগস্ট নামঞ্জুর হয়।
ওই আদেশের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জোয়াদ্দার মো. আমিরুল ইসলামের আদালতে গত ২৩ আগস্ট মিস আপিল ২৯/১৭ মামলা করেন তালা প্রেসক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় মামলার শুনানিতে বিচারক মামলাটি গ্রহণ পূর্বক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তালা ও প্রিসাইডিং অফিসার তালা প্রেসক্লাব কর্তৃক ২ আগস্ট ঘোষণাকৃত তালা প্রেসক্লাবের নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এই মর্মে কারণ জানতে চেয়ে আদেশ দেন।
আদালতে মামলার বাদী পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আশরাফ হোসেন ও মো. আলাউদ্দীন।
এ বিষয়ে তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস.এম নজরুল ইসলাম বলেন, তালা প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পূর্ণাঙ্গ কমিটি মেয়াদ ১ মে থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২০ পর্যন্ত রয়েছে।
এদিকে, তালা রিপোর্টাস ক্লাব ও সদর প্রেসক্লাবের কতিপয় সদস্যগণ কর্তৃক তালা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে বেআইনিভাবে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেন।
ওই কমিটি ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আতিয়ার রহমান তালা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে কথিত আহ্বায়ক ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনকল্পে ২ আগস্ট নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা করেন। যা সম্পূর্ণ বেআইনি।
আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, শুনানি শেষে আদালতের বিচারক তালা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে তফশিল ঘোষণা কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে শোকজ আদেশ প্রদান করেছেন। মামলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার তালা থানা অফিসার ইনচার্জসহ ১১ জনকে বিবাদী করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আকরামুল ইসলাম/এএম/এমএস