দেশজুড়ে

বগুড়ায় এবার কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করলেন আ.লীগ নেতা

বগুড়ায় শ্রমিক লীগ নেতা (বহিষ্কৃত) তুফান সরকার কর্তৃক ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোরশেদুল বারীর বিরুদ্ধে এক কলেজছাত্রীকে এক বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

অনার্স পড়ুয়া ওই ছাত্রী বৃহস্পতিবার দুপুরে শাজাহানপুর থানায় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন। মামলা রেকর্ড করে ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউরি রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুর রহমান জানান, তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে মোরশেদুল বারীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মামলার এজাহারে ওই ছাত্রী উল্লেখ করেছেন, গত ইউপি নির্বাচনের সময় চেয়ারম্যান মোরশেদুল বারীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর তিনি প্রেমের প্রস্তাব ও পরে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। বাবা-ভাইয়ের ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে তাকে জিম্মি করা হয়। গত এক বছর তাকে কক্সবাজার, রাজশাহীসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তিনি দৈহিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করেন। গত ১৫ জুলাই তাকে বগুড়া পর্যটন মোটেলের ৩১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ৩০ আগস্ট রাজশাহী পর্যটন মোটেলের ২০৩ নম্বর কক্ষে নিয়েও ধর্ষণ করা হয়। এরপর থেকে চেয়ারম্যান মোরশেদুল তাকে বিয়ে করতে টালবাহানা করছেন। নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। তাই তিনি বাধ্য হয়ে মামলা করেছেন।

শাজাহানপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণ মামলা নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরএআর/পিআর