দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশ দ্বার শিমুলিয়া ঘাটে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল নেমেছে। ঘাটে পারাপারে অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক যানবাহন।
শুক্রবার সকাল থেকে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল নামে। তবে পদ্মায় পানি কমতে থাকায় নাব্যতা সঙ্কট ও ডুবোচরের কারণে লৌহজং টার্নিংসহ দুটি চ্যানেলের প্রবেশ মুখ পানি কমে গেছে।
নাব্যতা সঙ্কট ও ডুবোচরে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে ৪টি রো রো ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাকি ফেরিগুলো চলছে খুঁড়িয়ে। তীব্র যানজট, যাত্রীরা সীমাহীন দুর্ভোগে রয়েছেন।
শুধু রো রো ফেরিই নয় অন্য ফেরিগুলোও ধারণ ক্ষমতার কম যানবাহন নিয়ে চলছে। ডুবোচর ও চ্যানেল মুখে নাব্যতা সঙ্কট দেখা দেয়ায় এই রুটের ৪টি রো রো ফেরি পারাপার দুপুর থেকে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পাশাপাশি অন্য ফেরিগুলো ধারণ ক্ষমতার কম যানবাহন নিয়ে চলছে। ফলে শিমুলিয়া ঘাটে সহস্রাধিক যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লেগে আছে।
এ সুযোগে লঞ্চে নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত যাত্রী। পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে গত কয়েকদিন লৌহজং চ্যানেল মুখে নাব্যতা সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।
শুধু রো রো ফেরিই নয়। এ রুটে চলাচলকারী আরও ১৫টি ফেরি চলাচলে কমবেশি বিঘ্ন ঘটছে। এই রুটে ৮৭টি লঞ্চ দুই শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে।
ফেরিচালকরা বলেন, মূল পদ্মা থেকে লৌহজং চ্যানেল মুখে প্রবেশ পথে গত কয়েক দিন ধরেই ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। শুক্রবার দুপুর থেকে কোনোভাবেই ফেরিগুলোতে পরিবহন ও যাত্রী পুরোপুরো লোড নিয়ে চলাচল করতে পারছিলাম না। তাই কর্তৃপক্ষ চারটি রো রো ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে।
বিআইডব্লিউটিএ কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটের সহকারী ম্যানেজার রুহুল আমিন মিয়া জানান, নাব্যতা সঙ্কটের কারণে রো রো ফেরি সকাল থেকে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দুপুরের পর থেকে রো রো ফেরি চলাচল করতে পারছে না। তাই কর্তৃপক্ষ চারটি রো রো ফেরির চলাচল বন্ধ রেখেছে।
এ কে এম নাসিরুল হক/এএম/পিআর