দেশজুড়ে

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুটে ২টি ফেরি ডুবোচরে আটকা, ৫টি বন্ধ

পদ্মা নদীর পানি দ্রুত কমতে থাকায় দেশের ব্যস্ততম শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ রুটের নাব্যতা সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিআইডব্লিউটিএ বিকল্প রুটে পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে। ফলে দক্ষিণাঞ্চলের কর্মস্থলমুখী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। গতকাল রোববার রাত থেকে ডুবোচরে আটকে রয়েছে দুটি ডাম্ব ফেরি রায়পুরা ও যমুনা। ফেরি দুটিতে অর্ধ শতাধিক যানবাহন ও কয়েকশ যাত্রী রয়েছে।

এর আগে গত রাতে ৪টি ফেরি ডুবোচরে আটকে পড়লে সোমবার সকালে দুটি ফেরি উদ্ধার হয়। গত চারদিন ধরে চারটি রো রো ফেরিসহ পাঁচটি ফেরি বন্ধ রয়েছে।

শুক্রবার ডুবোচর থেকে কেটাইপ ফেরি কুমিল্লা উদ্ধার করতে গিয়ে ডুবোচরে আটকে পড়া আইটি ৩৯১ এখনো উদ্ধার হয়নি। ফলে আইটি জাহাজটির ২০ জনের বেশি কর্মকর্তা কর্মচারীকে মাঝ নদীতেই ঈদ পালন করতে হয়েছে। হালকা যানবাহন নিয়েও ফেরি পারাপার সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ফলে ফেরি যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ছে। দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাঁঠালবাড়ি ঘাটে শতাধিক যানবাহন আটকে রয়েছে। ঈদ শেষে কর্মস্থল ফেরার পথে যাত্রীদের এ রুটে চরম দুর্ভোগপোহাতে হবে।

কাঠালবাড়ি ঘাট কর্ত্তৃপক্ষ জানায়, আগে থেকেই প্রচার প্রচারণা থাকায় কাঁঠালবাড়ি ঘাটে পরিবহনের অপেক্ষাকৃত চাপ কম দেখা যাচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ কাঁঠালবাড়ী ফেরি ঘাটের সহকারী ম্যানেজার রুহুল আমিন মিয়া জানান, নাব্যতা সঙ্কটের কারণে সকাল থেকেই রো রো ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। তাই কর্তৃপক্ষ চারটি রো রো ফেরি বন্ধ রেখেছে।

বিআইডব্লিউটিএ কাঁঠালবাড়ী ফেরি ঘাটের ব্যবস্থাপক আ. সালাম মিয়া জানান, আগে থেকেই প্রচার প্রচারণা থাকার কারণে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে পরিবহনের অপেক্ষাকৃত চাপ কম দেখা যাচ্ছে। নাব্যতা সঙ্কটের কারণে ছোট বড় সকল ফেরি কমসংখ্যক পরিবহন নিয়ে পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছে।

এ কে এম নাসিরুল হক/আরএআর/পিআর