‘নাশকতার পরিকল্পনা’র সময় বগুড়ার দুপচাঁচিয়া ইসলামপুর রঘুসারদীঘি এলাকায় একটি অটোরাইস মিল থেকে থানা বিএনপির সভাপতিসহ সংগঠনের ৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার বিকেলে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তিনটি পেট্রলবোমা ও ১০টি জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীদের আদালতে পাঠিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।
দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশের ওসি আবদুর রাজ্জাক জানান, জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীর স্বজনদের দাবি যুবদলের এক নেতার মৃত্যুবার্ষিকীর প্রস্তুতি সভা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা হয়েছে। শনিবার বিকেলে তাদেরকে আদালতে পাঠিয়ে সাতদিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়।
গ্রেফতার হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীরা হলেন- দুপচাঁচিয়া থানা বিএনপির সভাপতি আবদুল হামিদ, থানা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, পৌরসভা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, যুবদল নেতা ওমর ফারুক, আবদুল মজিদ, সোহেল রানা, মিজানুর রহমান, বিএনপিকর্মী কামরুল হাসান মিলন ও বিএনপিকর্মী বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির কম্পিউটার অপারেটর মোসাব্বির হাসান সম্রাট।
দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশের ওসি আবদুর রাজ্জাক ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, উপজেলার ইসলামপুর সড়কের রঘুসারদীঘি এলাকায় বিএনপি সভাপতি আবদুল হামিদের বড় ভাই মোবারক আলীর ‘মুহিত অটো রাইস মিলে’ বিএনপি ও জামায়াতের ১৮ থেকে ২০ জন নেতাকর্মী নাশকতার পরিকল্পনা করতে সমাবেত হয়েছিলেন।
গোপন খবর পেয়ে সেখান থেকে থানা বিএনপির সভাপতি হামিদসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীসহ অন্যরা পালিয়ে যান। তাদের কাছে তিনটি পেট্রলবোমা ও ১০টি জিহাদি বই পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে থানা পুলিশের এসআই আবদুর রাজ্জাক বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেছেন বলে জানান ওসি আবদুর রাজ্জাক।
লিমন বাসার/এএম/জেআইএম