সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শরীয়তপুর জেলা পুলিশ। এরই মধ্যে দুর্গাপূজার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে শরীয়তপুর জেলা ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি। এবছর জেলার ৯২টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় প্রায় দেড় হাজার পুলিশ ও আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে বলে পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন দুর্গোৎসব উপলক্ষে এ জেলায় মোট ৯২টি পূজামণ্ডপে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে সবকটি পূজামণ্ডপ ঝুঁকিমুক্ত থাকলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।
এবছর শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ৩০টি, নড়িয়া উপজেলায় ২৯টি, ডামড্যা উপজেলায় ৪টি, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ১৬টি, ডামুড্যা উপজেলায় ৬টি ও গোসাইরহাট উপজেলায় ৭টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করা হবে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি মুকুল চন্দ্র রায় বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে সার্বজনিন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করতে প্রশাসন যেসব উদ্যোগ নিয়েছে তাতে আমরা আনন্দিত। আশা করি জেলার সর্বস্তরের লোকজন এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করবে।
শরীয়তপুর পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল্লাহ আল মামুন পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার বিষয়ে জানান, আসন্ন সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুসারে শরীয়তপুর জেলায় প্রায় দেড় হাজার পুলিশ ও আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। এছাড়াও কমিউনিটি পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরাও মণ্ডপে দায়িত্ব পালন করবে।
এসপি বলেন, যে কোনো নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট এবং র্যাব-পুলিশের টহল টিম ও গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ পূজামণ্ডপে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন থেকেও সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
ছগির হোসেন/এফএ/পিআর