সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির, সাবেক সাংসদ মাওলানা আব্দুল খালেক মণ্ডল ওরফে কসাই খালেক বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেফতার হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী খলিলনগর মাদ্রাসায় গোপন বৈঠক করার সময় সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, নাশকতাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের তথ্য কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে জানান, সাতক্ষীরায় জামায়াতে ইসলামীর সহিংসতার মূল হোতা জেলা জামায়াতে আমির মাওলানা আব্দুল খালেক মণ্ডলকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি নাশকতা ও সহিংসতার পরিকল্পনাকালীন গোপন বৈঠকরত অবস্থায় সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ গ্রেফতার করে। মাওলানা আব্দুল খালেক মণ্ডল সাতক্ষীরা সিটি কলেজের প্রভাষক ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মামুন হত্যা, শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হত্যাসহ নাশকতা ও সহিংসতার সর্বমোট ১৫টি মামলার আসামি। নাশকতার মূলহোতা মাওলানা আব্দুল খালেক মণ্ডল আদালত হতে উক্ত মামলায় জামিনে বের হয়ে পুনরায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন। সাতক্ষীরা জেলাকে পুনরায় অশান্ত করার লক্ষ্যে তিনি তার সহযোগীদের নিয়ে বিভিন্নস্থানে গোপন বৈঠকের মাধ্যমে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।ভোর ৫টার দিকে মাওলানা আব্দুল খালেক মণ্ডল তার সহযোগীদের নিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন খলিলনগর মহিলা মাদ্রাসায় নাশকতার পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদ হোসেন শেখের নেতৃত্বে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ ওই স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেফতার এড়াতে মাওলানা আব্দুল খালেক মণ্ডলের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাওলানা আব্দুল খালেক মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। পুলিশ তার কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। এমজেড/এমএস