মা-বাবা অনেক কষ্টে ছেলেকে বুয়েটের প্রকৌশলী বানিয়েছিল। এরপর ঢাকার একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিও জুটিয়েছিল ছেলে। স্বপ্ন ছিল কয়েক দিন পর বিয়ে করে ঘরে নতুন বউ আনবে। কিন্তু অকাল মৃত্যু তার সব স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে। ছেলের শোকে এখন পাথর পরিবারের সকল সদস্যরা। অকালে চলে যাওয়া প্রকৌশলী নোমান হাসান নাজমুল টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌরশহরের নন্দনপুর মহল্লার আবদুল কাদেরের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নোমান এবার প্রকৌশল বিশ্বদ্যিালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে উর্ত্তীণ হয়ে ঢাকার গুলশানে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নেন। গত শনিবার ৮/১০ সহকর্মীর সঙ্গে গাজীপুরের পূবাইলের জল জঙ্গল পিকনিক স্পটে বনভোজনে যান। সেখানে তিন সহকর্মীর সঙ্গে নৌকায় উঠে লেকে ঘুরে বেড়ান। বেলা ১১টায় দমকা বাতাসে নৌকাটি ডুবে গেলে তিন সহকর্মী সাঁতরিয়ে পাড়ে উঠেন। কিন্তু সাঁতার না জানায় নোমান লেকের পানিতে ডুবে যান।
পরে স্থানীয়রা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রোববার তার মরদেহ গোপালপুরের নন্দনপুরের বাসায় নিয়ে আসা হয়। প্রকৌশলী সন্তানের মরদেহ বাড়িতে এলে পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারি হয়ে ওঠে।
আরিফ উর রহমান টগর/এমএএস/জেআইএম