রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, কর দাতারা পদ্মাসেতু নির্মাণহ দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এক সময় নানান জটিলতার কারণে কর প্রদানকারীদের মধ্যে ভীতি ছিল। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কর প্রদানকে সহজিকরণ করায় মানুষ এখন উৎসাহ আনন্দের মধ্য দিয়ে কর দিচ্ছে।
বুধবার দুপুরে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় কর অঞ্চল কুমিল্লার আয়োজনে এ বছর সর্বোচ্চ, দীর্ঘ মেয়াদি, মহিলা ও তরুণ করদাতা এবং কর বাহাদুর পরিবারবর্গকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রেলপথমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমারে নির্যাতিত মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাই বিশ্ববাসী শেখ হাসিনাকে আজ মাদার অব হিউম্যানিটি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
রেলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি আমলে কোনো নতুন রেললাইন নির্মাণ হয়নি, কোচ আমদানি হয়নি, স্টেশনগুলো সংস্কার হয়নি। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রেলপথ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করে রেলের অভূতপূর্ব উন্নয়ন করছে। রেলে এখন যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে।
মুজিবুল হক বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম ৩২০ কিলোমিটার রেলপথের ডাবল লাইন নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পথে। এছাড়াও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমিয়ে আনার জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম (ভায়া কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ও লাকসাম) রেলপথে আড়াই ঘণ্টার বুলেট ট্রেন চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সমীক্ষা চালানো হচ্ছে।
কর অঞ্চল কুমিল্লার কর কমিশনার সামস্ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বেতার কুমিল্লার আঞ্চলিক পরিচালক আসাদউল্লাহ, কর বাহাদুর পরিবারের সদস্য ও জেলা ১৪ দলের সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আফজল খান অ্যাডভোকেট, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মাসুদ পারভেজ খান ইমরান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কর অঞ্চলের অধীন নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর জেলার ৬টি কর বাহাদুর পরিবারসহ ৫৫ জন শ্রেষ্ঠ করদাতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
কামাল উদ্দিন/আরএআর/জেআইএম