কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার ভবানীপুরে চতুর্থ দিনের মতো আবারও দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় অর্ধশত ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গত মঙ্গলবার, বুধবার ও শুক্রবার তিনদিনে এই গ্রামে সংঘর্ষে প্রায় ৫০ জন আহত হয়।
এ সময় অর্ধশত বাড়িঘর লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় হুমায়ুন গ্রুপ ও জয়নাল গ্রুপের মধ্যে গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বার বার এ ঘটনা ঘটছে।
শনিবার সংঘর্ষের খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশসহ কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হোসেন, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা বেগম ঘননাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। এ সময় পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন- মমতা বেগম (৩২), কছম আলী (৭০), সোলমান (৩০) ও জাহিদুল ইসলামসহ (২১) অন্তত ৩৫ জন। এদের মধ্যে মমতা বেগমকে বাজিতপুর মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয় এবং কয়েকজন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশের ভয়ে অনেক আহতরা পার্শ্ববর্তী কুলিয়ার চর ও বাজিতপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, এই গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে হুমায়ুন গ্রুপ ও জয়নাল গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একাধিকবার সংঘর্ষ, বাড়িঘর লুটপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও কেউ থামাতে পারছেন না।
ভৈরব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, শনিবারে সংঘর্ষের সময় পুলিশ কয়েকজনকে আটক করার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আসাদুজ্জামান ফারুক/এএম/জেআইএম