সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা ও পেনশনের দাবিতে সড়ক বাতি বন্ধ করে মোমবাতি জ্বালিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বাগেরহাট পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, পৌর নাগরিকদের সেবা দিতে সব সময় পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়োজিত থাকেন। কিন্তু পৌরসভার সার্বক্ষণিক কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বঞ্চিত করছে সরকার। রাজস্ব তহবিল থেকে বেতন-ভাতা পরিশোধ না করে সরকার বৈষম্য করছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন দফতর ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের রাজস্ব তহবিল থেকে বেতন-ভাতা ও পেনশন সুবিধা পেয়ে থাকেন।
কিন্তু দেশের সংবিধানের ৫৯ (১) এবং স্থানীয় সরকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী পৌরসভা একটি প্রশাসনিক অংশ হলেও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও গ্রাচ্যুয়িটি পৌরসভার রাজস্ব তহবিল হতে প্রদান করা হয়। ফলে অনেক পৌরসভার বেতন-ভাতাদি বেশিরভাগ পৌরসভার ক্ষেত্রে অনিয়মিত। কোনো কোনো পৌরসভায় ২ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত বকেয়া এবং বহু কর্মকর্তা-কর্মচারী অবসর পরবর্তী আনুতোষিক থেকে বঞ্চিত হয়ে অবসরের পর পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিঠু, খুলনা বিভাগীয় সভাপতি রঞ্জন কান্তি গুহ, বাগেরহাট জেলা সভাপতি অজিত কুমার হালদার, সুব্রত কুমার সোমাদ্দার, মো. জামসেদ আলী, সেলিশ ফকির, সানজিরা বেগম, সেলিম ফকির, আশিষ কুমার হোড়, ডালিয়া বেগম প্রমুখ।
শওকত বাবু/আরএআর/এমএস