চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা শহরের বড় বাজারের একটি আবাসিক হোটেল থেকে ফরিদা খাতুন (২২) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা আবাসিক হোটেল থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেল মালিক রঞ্জু জোয়ার্দার, ম্যানেজার আনিসুর রহমান ও কর্মচারী শাহিন আলীকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে স্বামী পরিচয়ে হোটেলে উঠা তরুণ আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের ওসি (অপারেশন) আমির আব্বাস জানান, সোমবার দুপুরে হোটেল কর্তৃপক্ষ থানা পুলিশকে অবহিত করে হোটেলের ২২৪ নম্বর কক্ষ তালাবদ্ধ রয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কক্ষের তালা ভেঙে ফরিদা খাতুনের মরদেহ দেখতে পায়। মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেল মালিক রঞ্জুসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
হোটেল মালিক রঞ্জু জোয়ার্দার জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ফরিদা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে গাজীপুর শহরের আনোয়ার হোসেন নামে এক তরুণ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ২২৪ নম্বর রুম ভাড়া নেয়।
সোমবার সকালে ওই কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পায় হোটেল কর্তৃপক্ষ। কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে চুয়াডাঙ্গা থানা পুলিশে খবর দেয়া হয়। এরপর পুলিশ ওই কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের ওসি দেলোয়ার হোসেন খান জানান, হত্যা না অন্য কোনো ঘটনা তা জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। ঘটনার পর থেকে স্বামী পরিচয় দেয়া আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন।
সালাউদ্দিন কাজল/এএম/পিআর