আর মাত্র আড়াই মাস পর দেশে ফেরার কথা ছিল জাতিসংঘ মিশনে কর্মরত সেনাসদস্য জামাল উদ্দিনের। কিন্তু বুধবার রাতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বাবা মেশের আলীকে জানানো হয় ছেলে মিশনে বোমা বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন। পরিবারের সকলকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ ও সান্ত্বনাও দেয়া হয়। কিন্তু সান্ত্বনা কি আর কষ্ট কমাতে পারে? এ খবর পেয়ে ভেঙে পড়েছেন নিহত জামালের মা-বাবা, স্ত্রী, সন্তানসহ পুরো পরিবার।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের ঘাইসাপাড়া গ্রামে তার পরিবারে চলছে আহাজারি। ১৩ বছর আগে সেনাবাহিনীতে চাকরি নেন তিনি। যশোর সেনানিবাসে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রায় ৯ মাস আগে তিনি শান্তি মিশনে যোগ দেন।
৭ বছর আগে পাশের গ্রাম মহারাজপুরের ফাহিমা আক্তার শিল্পী খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয় জামাল উদ্দিনের। তাদের পাঁচ বছরের একটি ছেলে রয়েছে। এ খবর শোনার পর থেকে শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছেন জামালের স্ত্রী শিল্পী খাতুন। ছেলের কথা বলতে বলতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন জামালের মা। জামালের একমাত্র ছেলে শিমুলের ভবিষ্যৎ নিয়েও চিন্তিত তারা।
তার বাবা-মা'র দাবি, যত দ্রুত সম্ভব তাদের সন্তানের মরদেহ যেন সরকার দেশে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে এবং তাদের পরিবারের কথা বিবেচনা করে তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করে।
আব্দুল্লাহ/এফএ/পিআর