দেশজুড়ে

এবার পা হারালেন হযরত আলী

প্রথমে হাত পরে প্রাণ হারানো রাজীব, পা হারানো হৃদয়, রোজিনা ও রাসেলের কাতারে এবার নাম লেখালেন এক মাদরাসা শিক্ষক। বর্তমানে তিনি রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে-(নিটোর-পঙ্গু হাসপাতাল) মুক্তিযোদ্ধা ওয়ার্ডের ৫২ নম্বরে বেডে চিকিৎসাধীন। তার বহুমূত্র রোগ থাকায় শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রতিদিনই তাকে রক্ত দিতে হচ্ছে।

পা হারানো মাদরাসা শিক্ষক হযরত আলী (৫৫) জেলার কাপাসিয়া উপজেলার ঘোড়াদিয়া গ্রামের মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে। তিনি পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বাঁশিয়া মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদরাসার এবতেদায়ি শাখার একজন শিক্ষক ও স্থানীয় মসজিদের ইমাম।

গত ১১ এপ্রিল দুপুরে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অনন্যা ক্লাসিক পরিবহনের একটি বাসের চাপায় মো. হযরত আলী গুরুতর আহত হলে তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান পা কেটে ফেলতে হয়েছে।

ওই শিক্ষকের মেয়ে ফাতেমা আক্তার জানান, ১১ এপ্রিল তার বাবা বাড়ি থেকে চিকিৎসার জন্য কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছিলেন। হাসপাতালের কাজ শেষে মেডিকেল মোড় এলাকায় অনন্যা ক্লাসিকের একটি বাস চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। সেখানে থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তার ডান পা কেটে ফেলতে হয়েছে।

শিহাব খান/এমএএস/আরআইপি