দেশজুড়ে

আদম ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত ইউপি চেয়ারম্যান

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ৫নং বানাইল ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন খানের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের অফিসে কক্ষে আদম ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পরিষদের সমন্বয়হীনতা, উন্নয়ন সভা না করা, ইউপি সদস্যদের সম্মানী ভাতা না দেয়াসহ নানা অভিযোগ এনে ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১১ জন ইউপি সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৮ মে মির্জাপুর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে বানাইল ইউনিয়নসহ ৮টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বানাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নিয়মিত অফিসে আসেন না। মাঝে মধ্যে এলেও ইউপি সদস্যদের নিয়ে মাসিক উন্নয়ন সভা না করে তার অফিস কক্ষে আদম ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।

চেয়ারম্যানের কক্ষে আদম ব্যবসায় জড়িতরা ভিড় জমানোর কারণে সদস্যরাও সেখানে বসতে পারেন না বলে অভিযোগে জানা গেছে।

এছাড়া সদস্যদের সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমন্বয়হীনতা ছাড়াও সদস্যদের সম্মানী ভাতা দিচ্ছেন না বলে অভিযোগে করেছেন ইউপি সদস্যরা।

এ বিষয়ে ওই ইউনিয়নের ১১ জন ইউপি সদস্য ২৫ এপ্রিল মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

২ নম্বর ইউপি সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মো. মতিয়ার রহমান জানান, ইউপি সদস্যদের মাসিক সম্মানী ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৪শ টাকা। এ পর্যন্ত তারা মাত্র ১৪ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা পেয়েছেন বলে জানান।

তবে ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই আদম ব্যবসা করি। সরকার সদস্যদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করেছে। আমাদের ট্যাক্স ধার্য কম থাকায় আমি সরকার নির্ধারিত সম্মানী ভাতা দিতে পারছি না। তবে সম্প্রতি ইউপি সদস্যদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা দিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীনের সঙ্গে কথা হলে তিনি ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগের কথা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এরশাদ/এফএ/এমএস