শহরের মাস্টার কলোনি এলাকায় র্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাজেদুল ইসলাম স্বজলের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসময় চোরের বাসায় ভাঙচুরও করেছে। একই সঙ্গে তার মামা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা সবকিছু লুট করে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে যায়। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত ৩টার দিকে প্রথমে র্যাব-৪ এ কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাজেদুল ইসলাম স্বজল এর বিল্ডিংয়ের দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে স্টিলের আলমারি ভেঙে ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে চলে যায়। একই সময় পাশের বাসায় থাকা র্যাব কর্মকর্তার মামা ও রূপালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারুন-আর-রশীদের বাসার বিল্ডিংয়ের দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। এসময় উভয় বাসায় কেউ ছিল না। চোরেরা ব্যাংক কর্মকর্তার স্টিলের আলমারি ভেঙে ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এসময় নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, কাপড়-চোপড়সহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায় এবং যাওয়ার সময় বাসায় আগুন ধরিয়ে দিয়ে যায়।
আগুনে বাসার টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে বিল্ডিংয়ের কয়েকটি জায়গায় বড় ফাটল ধরে গেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামালের ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে র্যাব-৪ এর কর্মরতা সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাজেদুল ইসলাম স্বজল বলেন, আমরা কেউ বাসায় ছিলাম না। চোরেরা প্রথমে আমাদের বাসায় প্রবেশ করে কিছু না পেয়ে ঘরের ভেতরে ভাঙচুর করে। পরবর্তীতে পাশে আমার মামার বাসায় গিয়ে মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় এবং যাওয়ার সময় বাসায় আগুন ধরিয়ে দিয়ে যায়। এ সময় আমার মামার বাসাও খালি ছিল। মো. হারুন-আর-রশীদ বলেন, বাসার বিল্ডিংয়ের দরজা ভেঙে তারা ঘরে প্রবেশ করে। এসময় তারা স্টিলের আলমারি ভেঙে ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দিয়ে যায়। আগুনে বাসার টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
মাদারীপুর সদর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত ) মো. আবু নাঈম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বাসায় চুরি ও আগুন দেয়ার ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার বড় মেয়ে আয়েশা খানম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।
এ কে এম নাসিরুল হক/এমএএস/জেআইএম