ফেনীতে পাঁচ আনা স্বর্ণ কিনে বিক্রি করতে গেলে স্বর্ণের ওজন হয়ে যায় তিন আনা সাত পয়েন্ট। বিক্রির সময় ওই স্বর্ণের দাম হয়ে যায় ৭ হাজার ৪৫০ টাকা যা সমিতি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম।
বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানার অভিযানে এ কারচুপি ধরা পড়ে।
আদালত সূত্র জানায়, শহরের ভেতরের বাজারের খদ্দেরপট্রিতে ৫ আনা স্বর্ণ বিক্রি করতে কামাল হাজারী মার্কেটের শিরিন জুয়েলার্সে গেলে সেখানে ওই স্বর্ণের ওজন হয়ে যায় ৩ আনা ৭ পয়েন্ট গ্রাম। ওই স্বর্ণ বিক্রি হয় ৭ হাজার ৪৫০ টাকা যা সমিতি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫ হাজার টাকা কম।
এ সড়কের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের একটি চক্র বছরের পর বছর ধরে বিক্রেতাদের ঠকিয়ে আসছে। এমন অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। এসময় প্রতারণার অভিযোগে শিরিন জুয়েলার্সে ওজনে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত মো. শহীদুল্লাহ (৪৭) ও পুটিশ্বর ভাদুড়ী (৪৫) প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযানে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আব্দুর রহমানসহ জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরএ/পিআর