লক্ষ্মীপুর সদরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে আবু ছায়েদ (৪০) নামে এক ইটভাটার মাঝিকে (শ্রমিক নেতা) পিটিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের নলডগী গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির ছোট ভাই সাগর উদ্দিনকে আটক করেছে পুলিশ। সুদের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে জের ধরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
নিহত আবু ছায়েদ সদরের কুশাখালীর মধ্য নলডগী গ্রামের মৃত আবু তাহেরের ছেলে ও স্থানীয় একটি ইটভাটার মাঝি।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, উপজেলার মধ্য নলডগী গ্রামের সুদ কারবারি বেলাল উদ্দিনের কাছ থেকে আবু ছায়েদ সুদে টাকা নেন। তবে কত টাকা লেনদেন হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সম্প্রতি হিসাব করে পাওনা পরিশোধ করা হ। হঠাৎ বেলাল তার কাছে আরও টাকা পাওনা রয়েছে বলে দাবি করেস। এ নিয়ে রোববার সন্ধ্যায় আবু ছায়েদ ও বেলালের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে বেলাল রাতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ছায়েদকে পিটিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে অভিযোগ স্বজনদের।
সকালে লোকজন নিজের (ছায়েদ) বাড়ির সামনে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকায় অভিযুক্ত বেলাল উদ্দিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ রয়েছে।
এ ব্যাপারে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাফর আহমদ বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সুদ ব্যবসায়ী বেলালের ছোট ভাই সাগরকে আটক করা হয়। মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
কাজল কায়েস/এমএএস/এমএস