পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটের লৌহজং টার্নিংয়ে তীব্র ঘূর্ণি স্রোত সৃষ্টি হয়ে ফেরিসহ নৌযান চলাচল মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। স্রোতের গতিবেগের সঙ্গে উজানে নদী ভাঙনের পলি পড়ে সৃষ্টি হয়েছে নাব্য সংকট।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিকল্প ওয়ান ওয়ে চ্যানেল চালু করা হয়েছে। ফেরিসহ নৌযান চলাচল করছে ওয়ান ওয়ে পদ্ধতিতে। এতে নৌপথের দূরত্ব ৬ কিলোমিটার বেড়ে পারাপারে দীর্ঘ সময় লাগছে।
বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, এক সপ্তাহ ধরে পদ্মা নদীতে বন্যার পানি বৃদ্ধির গতিবেগ বাড়তে থাকে। অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে স্রোতের ঘূর্ণি তীব্র আকার ধারণ করে। সেই সঙ্গে এই রুটের লৌহজং টার্নিংয়ে ২-৩ দিন ধরে এক প্রকার যুদ্ধ করে ফেরিগুলোকে চলতে হচ্ছে।
এছাড়া উজানে তীব্র নদী ভাঙনের ফলে ভেসে আসা পলিতে নাব্যতা সংকটের সৃষ্টি করে সরু হয়ে পড়েছে। গত বছরের ১০ জুলাই একই সংকটের কারণে অচলাবস্থা দেখা দেয়ায় একই পদ্ধতি অবলম্বন করে ফেরিসহ নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ। এই রুটে ১৯ ফেরি, ৮৭ লঞ্চ ও দুই শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে।
বিআইডব্লিউটিসির মেরিন কর্মকর্তা আহমেদ আলী বলেন, নদীতে তীব্র স্রোত। বিশেষ করে লৌহজং টার্নিংয়ে ঘূর্ণি স্রোত সৃষ্টি হওয়ায় এটি ক্রস করতে ফেরিগুলোকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই বিকল্প চ্যানেল চালু করা হয়েছে।
এ কে এম নাসিরুল হক/এএম/জেআইএম