দেশজুড়ে

দুদকের মামলায় শিক্ষকের কারাদণ্ড

ফরিদপুরে ভূয়া ও জাল পিটিআই সনদ দেখিয়ে অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়ে ১০ বছর সরকারি বেতন ও ভাতা উত্তোলন করায় দুদকের দায়ের করা মামলায় মো. সুলতান হোসেনকে কারাদণ্ড ও আর্থিক দণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে বিশেষ জজ আদালতের জজ মো. মতিয়ার রহমান এ আদেশ দেন। তবে মো. সুলতান হোসেন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আদালত ওই ভুয়া সনদধারী শিক্ষককে তিনটি ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেকটি ধারায় আলাদা আলাদা শাস্তি প্রদান করেন।

এর মধ্যে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় (সরকারি অর্থ আত্মসাৎ) পাঁচ বছর স্বশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৪ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। ৪৭১ ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাস বিনাশ্রম কারদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মো. সুলতান হোসেন শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্বকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে ১৯৮৪ সালের ৮ জুলাই থেকে ১৯৯৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। তিনি মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর গ্রামের বাসিন্দা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফজলুল হক বলেন, মো. সুলতান হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকরি গ্রহণকালে ভূয়া ও জাল পিটিআই সনদ দেখিয়ে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি চাকরিচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন।

আরএ/পিআর