দেশজুড়ে

নারায়ণগঞ্জে দুই নৈশপ্রহরী খুন : গ্রেফতার ৭

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ডাকাতদের হাতে দুই নৈশপ্রহরী খুনের ঘটনায় সাত ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার রাতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাত ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলন ডেকে বিষয়টি জানান।

দুপুরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মঈনুল হক। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রনি হোসেন (২০), রানা ফকির (২১), জাহিদুল শরীফ ওরফে তাহিদুল ওরফে তৌহিদুল (২৪), জসিম ওরফে মুন্না (২৬) ও মো. শাওন রানা (২১), মোক্তার হোসেন (২৩) ও আতিকুর রহমান (২৫)।

পুলিশ জানায়, রোববার ঢাকার মহাখালী, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, জয়দেবপুর ও সোনারগাঁ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত ৭০ হাজার টাকার ব্যাটারি, ৪টি সিম, ১টি ভাঙা মোবাইল এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ও যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার দিন রাত ২ টার দিকে এই চক্রটির ১১ সদস্য লক্ষ্মণখোলা বাজারে এসে প্রথমেই দুই নৈশপ্রহরী রায়হান উদ্দিন ও মোতালেবকে হাত-পা বেঁধে ইট দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে খুন করে। এরপরই বিসমিল্লাহ ব্যাটারি, সততা ব্যাটারি মেলা ও সততা ব্যাটারি সার্ভিসিংয়ের দোকানে ডাকাতি করে তারা।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, ডাকাতি করতে এসে দুই নৈশপ্রহরী রায়হান উদ্দিন (৬৫) ও মোতালেবকে (৫৫) নির্মমভাবে হত্যা করে ডাকাত দল। এই দলের প্রধান মোক্তার হোসেনসহ সাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গ্রেফতারকৃতরা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। তারা মূলত মোক্তার হোসেনের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে থাকে। এর মধ্যে ঈদুল ফিতরের ৭ থেকে ৮ দিন পর বন্দরের লক্ষ্মণখোলা মাদরাসা বাজারে এই চক্রটি ডাকাতি করতে এসে নৈশপ্রহরীদের তৎপরতায় ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। এ ঘটনায় দুই নৈশপ্রহরীর প্রতি ক্ষুব্ধ ছিল তারা।

শাহাদাত/এএম/আরআইপি