দেশজুড়ে

দাফনের সাড়ে তিন মাস পর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মরদেহ উত্তোলন

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দাফনের প্রায় সাড়ে তিন মাস পর আদালতের নির্দেশে সাইফুল্লাহ্ তালুকদার মহসিন (২৩) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ বিন কাশেমের উপস্থিতিতে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।

সাইফুল্লাহ্ তালুকদার ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কেন্দুয়ার বলাইশিমুল ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর তালুকদার মল্লিকের ছেলে।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল গভীর রাতে সাইফুল্লাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ছাত্রাবাসের ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে মারা যান বলে তার অভিভাবককে জানানো হয়। পরদিন সকালে নিহতের বাবা আলী আকবর সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ছেলের মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি কুমুরউড়ায় এনে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করেন। এরপর গত ৭ জুন এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে আলী আকবর আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন।

আদালতের নির্দেশে রোববার বিকেল ৩টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ বিন কাশেমের উপস্থিতিতে নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। এ সময় অন্যাদের মধ্যে ঢাকার সিআইডির পরিদর্শক মিজানুর রহমান, কেন্দুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হুসেন, নিহতের বাবা আলী আকবর তালুকদার মল্লিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কেন্দুয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমারত হোসেন গাজী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কামাল হোসাইন/আরএআর/জেআইএম