দেশজুড়ে

বগুড়ায় আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ

বগুড়ার নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা আবু হোরায়রা আকাশ নন্দীগ্রাম থানায় জেলা বিএনপির সদস্য ও বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মোশাররফ হোসেনসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

থানা সূত্রে জানা গেছে, রাতে মামলা হওয়ার পর পৌর বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে পৌর ছাত্রলীগ নেতা আবু হোরায়ারা আকাশসহ ৭-৮ জন চা পান করছিলেন। এ সময় জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য মোশাররফ হোসেন দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে সেখানে এসে তাদের গালিগালাজ করেন।

এরপর তার নির্দেশে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয়দলের আটজন আহত হন। পরে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ হামলার প্রতিবাদে পৌর ছাত্রলীগ শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সমাবেশ থেকে ওই হামলায় জড়িত বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।

এ বিষয়ে জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন জানান, তিনি বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলেন। ফেরার জন্য গাড়িতে ওঠার সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা অতর্কিত তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনিসহ তিনজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ উল্টো তাকেসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। তিনি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়েছেন।

নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আনিসুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগ নেতার মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এজাহার নামীয় এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লিমন বাসার/এএম/এমএস