টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে এমপি সমর্থকদের ধাওয়া ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় দুটি মামলা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের দুই এসআই বাদী হয়ে মোট ১০৪ জনকে আসামি করে মামলা দুটি দায়ের করেন।
শুক্রবার এ মামলার তথ্য নিশ্চিত করে টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সায়েদুর রহমান জানান, পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৯৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। এছাড়া ওই ঘটনার সময় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন একটি দোকান থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ সময় দোকানে থাকা দুজনসহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফ বাদী হয়ে ওই ১১ জনকে আসামি করে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার ১১ জনকে বৃহস্পতিবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার(৫ সেপ্টেম্বর) এমপি রানার জামিন শুনানির দিন ধার্য ছিল। সেদিন তার ‘জামিন হবে’ এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে তার পক্ষের নেতাকর্মীরা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার ও এমপি রানার মুক্তির দাবিতে শহরের শামছুল হক তোরণ এলাকা দিয়ে আদালত চত্বরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং এক পর্যায়ে লাঠিচার্জ ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে।
এ সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ছত্রভঙ্গ এমপি রানার সমর্থকদের মধ্য থেকে দুইজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল এলাকার একটি দোকান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৮ রাউন্ড গুলি, ২টি ম্যাগজিনসহ আটক করা হয়। পরবর্তীতে আরো নয়জনকে আটক করা হয়।
আরিফ উর রহমান টগর/এফএ/এমএস