দেশজুড়ে

পদ্মা ও পাগলা নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

চাঁপাইনাবগঞ্জের শিবগঞ্জে উজান থেকে নেমে আসা পানিতে পদ্মা ও পাগলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে পাঁকা, দুর্লভপুর, উজিরপুর ও ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে পাঁকা ইউনিয়নের ৭টি ওয়ার্ড প্লাবিত হয়েছে। চারটি ইউনিয়নের ৪০ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। বন্যা কবলিতদের মাঝে সরকারি ত্রাণ বিতরণ না হওয়ায় তারা মানববেতর জীবনযাপন করছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ সাহিদুল আলম জানান, পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার .৮৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ২-১ দিনের মধ্যে নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। গত ৭ দিন থেকে পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চারটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।

পাঁকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান জানান, এ ইউনিয়নের ৭টি ওয়ার্ডের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া তাদের চলাচলের পথ নেই। নলকূপগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ায় মানুষ বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারছে না। তিনি জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণের দাবি করেছেন।

স্থানীয় সরকার চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক ড. চিত্রলেখা নাজনীন জানান, শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের পানিবন্দি পরিবারের জন্য সাড়ে ৩ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী রওশন ইসলাম পাঁকা ইউনিয়নের চরাঞ্চলে বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন । এ সময় তিনি বন্যা কবলিত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং সবাইকে পানিবাহিত রোগ, সাপের কামড় থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। এছাড়াও যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের তালিকা প্রস্তুত করে সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী আসলাম হোসেন, পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানসহ ওয়ার্ড সদস্যরা।

মোহা. আব্দুল্লাহ/আরএআর/এমএস