শান্তি ও সহনশীলতা উন্নয়নে সাংবাদিকতাবিষয়ক পুরস্কার পেলেন জাগোনিউজ২৪.কমের নিজস্ব প্রতিবেদক মাসুদ রানা। এ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএইড) ‘অবিরোধ : রোড টু টলারেন্স প্রোগ্রাম’র আওতায় বেসরকারি গণমাধ্যম সংগঠন সোসাইটি ফর মিডিয়া অ্যান্ড সাসটেইনেবল হিউম্যান কমিউনিকেশন টেকনিকস (সমষ্টি) এই পুরস্কার দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে ডেইলি স্টার সেন্টারে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট, সদনপত্র ও ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে।
নেই খোলা জায়গা-মাঠ, বাড়ছে অসহিষ্ণুতা, পড়ার চাপে দিন কাটে আনন্দহীন ও ডিভাইস আসক্তিতে বাড়ছে ক্ষতি শিরোনামে ‘নগরে অস্বাভাবিক শৈশব’ সিরিজের এসব প্রতিবেদনের জন্য মাসুদ রানা এই পুরস্কার পেয়েছেন।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথি ছিলেন। সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী মনজুরুল আহসান বুলবুল, দৈনিক সমকালের উপ-সম্পাদক অজয় দাশগুপ্ত এবং গাজী টেলিভিশন ও সারাবাংলা ডটনেটের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ইউএনবির নির্বাহী সম্পাদক রিয়াজ আহমদ বিশেষ অতিথি ছিলেন।
পুরস্কার পাওয়ার পর মাসুদ রানা বলেন, ‘আমি আনন্দিত। আমার তথ্যানন্দে মুগ্ধতার যে সাংবাদিক জীবন সেখানে এই পুরস্কার অনুপ্রেরণার।’
দি ডেইলি স্টার-এর স্টাফ করেসপনডেন্ট জামিল খান দ্বিতীয় এবং ৭১ টিভির রাজশাহী ব্যুরো চিফ রাশিদুল হক রুশো তৃতীয় পুরস্কার লাভ করেছেন। এ ছাড়া বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের রাজশাহীর সিনিয়র করেসপনডেন্ট এসএম শরিফুল ইসলাম, দৈনিক প্রথম আলোর বাগমারা প্রতিনিধি মামুনুর রশীদ এবং দৈনিক জনকণ্ঠের রাজশাহীর স্টাফ রিপোর্টার মামুনুর রশিদ।
অপরদিকে নাগরিক সাংবাদিক ক্যাটাগরিতে রাজশাহীর নাগরিক সাংবাদিক মো. হাদিসুর রহমান প্রথম, মো. রকিবুল হোসাইন দ্বিতীয় ও মো. মালেকুজ্জামান শাহ তৃতীয় পুরস্কার লাভ করেছেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘সহিংস উগ্রবাদ প্রতিরোধ, সমাজে শান্তি ও সহনশীলতা উন্নয়নে গনমাধ্যমগুলো একটি প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘নির্দিষ্ট কিছু দিবসে কিংবা উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনা না ঘটলে সহিংস উগ্রবাদবিষয়ক খবরারখবর সাধারণত গণমাধ্যমে আসে না। বিষয়টি গণমাধ্যমগুলোর জন্য লজ্জাকর। এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।’
এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের যথাযথ প্রশিক্ষণেরও প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন তিনি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমষ্টির পরিচালক মীর মাসরুর জামান এবং স্বাগত বক্তব্য দেন সমষ্টির পরিচালক (কর্মসূচি) মীর সাহিদুল আলম।
এসআই/জেডএ/পিআর