ক্যাম্পাস

৫০ শিক্ষকের বিবৃতিকে মিথ্যাচার বললেন মামলার বাদী

আইসিটি মামলায় কারাগারে থাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষক মাইদুল ইসলামের পক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ শিক্ষকের বিবৃতিকে ‘মিথ্যাচার’ বললেন মামলার বাদী। তিনি হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সদস্য ইফতেখার উদ্দিন আয়াজ।

বৃহস্পতিবার শাখা ছাত্রলীগের ব্যানারে চাকসু ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাদীর উপস্থিতিতে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান বিলুপ্ত কমিটির উপ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ইমাম উদ্দিন ফয়সাল পারভেজ।

সংবাদ সম্মেলনে ৫০ শিক্ষকের বিবৃতির মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রতি সত্য ও গঠনমূলক সমালোচনা করার আহ্বান জানানো হয়। মিথ্যা গোপনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে অপরাধীর পক্ষ ছাড়তেও অনুরোধ জানানো হয়। এতে ছাত্র হিসেবে শিক্ষকদের প্রতি সম্মান ও আস্থার জায়গা তৈরি হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, চবি শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় কটূক্তি করে একাধিকবার পোস্ট দিয়েছেন। একই সঙ্গে পবিত্র কোরআন শরিফের সূরা আর-রাহমানের একটি আয়াতকে বিকৃত করে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে পোস্ট দিয়েছেন। সংবিধান দেশের নাগরিককে বাক স্বাধীনতা দেয়া হলেও মানহানি ও আদালত অবমাননার বিষয়ে বিধি-নিষেধও আরোপ আছে।

বিবৃতির বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিবৃতি যে কেউ দিতে পারে। তবে এতে সম্পূর্ণভাবে মামলা দায়ের হওয়ার মূল বিষয় লুকিয়েছেন তারা। বিবৃতিতে সম্মানিত শিক্ষকরা দাবি করেছেন, শিক্ষার্থীদের একটি যৌক্তিক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন দেয়াকে অন্যায় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। যার শাস্তিস্বরূপ শিক্ষক মাইদুলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ কোনো আন্দোলনে সমর্থন দেয়া বা না দেয়ার বিষয়ে শিক্ষক মাইদুলের নামে মামলা দেয়া হয়নি। মামলার এজাহারেও এ ধরনের কিছু উল্লেখ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- চবি শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির উপ-বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল হাসান দিনার ও সহ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম জিমেল প্রমুখ।

আবদুল্লাহ রাকীব/এএম/পিআর