কক্সবাজারের কলাতলীর কাটা পাহাড় এলাকা থেকে একটি গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত টেকনাফের ইয়াবা গডফাদার শামসুল আলম মার্কিনের বলে শনাক্ত করেছে নিহতের পরিবার। মার্কিন গত দুদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বলেও দাবি করেছেন তার ভাই আবদুস সামাদ।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় এলজি ও এক হাজার পিস ইয়াবাও জব্দ করা হয়েছে। নিহত মার্কিন টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়ার মৃত মৌলভী আলী হোছাইনের ছেলে।
মরদেহটি উদ্ধারের পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার। তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেননি ওসি।
ওসি জানান, কক্সবাজারের কলাতলী এলাকার কাটা পাহাড়ে একটি গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে রয়েছে এমন খবর পেয়ে শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পাশে পাওয়া যায় একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা।
পুলিশ উদ্ধার করে কক্সবাজার মর্গে পাঠালেও মরদেহটি কার সেটি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি ওসি।
এদিকে মার্কিনের ভাই আবদুস সামাদ জানান, গত দুদিন আগে কক্সবাজার যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন তার ভাই শামসুল আলম মার্কিন (৪৮)। এরপর থেকেই তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করা হচ্ছিল। কক্সবাজারে কাটা পাহাড়ে মরদেহ পাওয়ার খবরে সদর হাসপাতাল মর্গে গিয়ে দেখা গেছে তিনিই নিখোঁজ মার্কিন। টেকনাফ থানার ওসি রনজিত বড়ুয়া জানান, কক্সবাজারের কলাতলী থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি মার্কিনের বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তার বিরুদ্ধে ইয়াবা সংক্রান্ত ছয়টি মামলা রয়েছে।
সায়ীদ আলমগীর/এফএ/এমএস