এক দার্শনিকের মুখোমুখি‘নিজেকে জানো’বলতে-বলতে ঘেন্না ধরে গেছে,এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন।আত্মা কি, ঈশ্বর কোথায়?ভাবতে-ভাবতে উই ধরেছে জঙ্ঘায়।পৃথিবী কবে থেকে সূর্যের চারদিকেঘুরতে শুরু করলো তা স্রষ্টা ছাড়া কেউ জানে না।তপোবলে এইসব বিজ্ঞানীদের ধুলোয়মিশিয়ে দিতে পারতেন ঋত্বিক বিশ্বামিত্র, কিন্তু তিনি ব্যস্ত ব্রাম্মণ হতে।দেখুন- একই নদীতে কেউ দুবার স্নান করে না হেরাক্লিটাসের এই নদী কোথাও আছে? আর প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া একথাপাগলে ও মানবে না, এখন পৃথিবী প্রতিক্রিয়াহীন-স্তব্ধ। শুধু সেই আপেল বৃক্ষ মাধ্যাকর্ষণেযার ডালপালা থেকে ছড়িয়ে পড়ছে স্ফুলিঙ্গ।বরং একটা আনন্দদায়ক স্মৃতি- যা আপনি জানতে চান প্লেটো কবিদের তাড়িয়ে দিচ্ছিলেন আদর্শ থেকেতার সাহায্যে জড়ো হয়েছিলো ধর্মাবতারগণতাদের সাথে আমিও ছিলাম, এখনো আছিএই রক্তস্রোতরক্ত তরবারী চুইয়ে মাটিতে পড়ছে চিবুক চুইয়ে পদতলেবুক থেকে নক্ষত্রেলাল কালো নিরব ও নিষ্ঠুর এই রক্তস্রোতপদ্মামেঘনা ব্রহ্মপুত্র বেয়েবঙ্গোপসাগরেকতকাল কতযুগ বহমান রক্তস্রোতপ্লাবন ও পলিতে সমৃদ্ধ করেছে সংগ্রামঢেউয়ের চূড়ায় রক্ত, ফেনায় ফেনায় এই রক্তস্রোত হৃদয়োত্থিতদিন ও রাত্রির আবর্তন ভেঙেপদক্ষেপের পেছনে পেছনে ধাবমান দৃশ্যমান সমস্ত সবুজের শিরায় শিরায়সূর্যমুখী মানুষের চোখে চোখে, আকাশে আকাশে বংশানুক্রমে প্রাণী ও প্রকৃতির রক্তাঞ্জলি স্বপ্নের পায়ে কেউ তা জানে না রক্তস্রোত থিতু হয়ে কোথায় দাঁড়াবে কোন দেশে কোন কালে কার স্বপ্নদগ্ধ করতলেরক্তমাখা চাঁদসূর্য ডোবার সাথে সাথে হারিয়ে গেছে দিন শহরতলী ক্রমেই হলো বিদ্যুতের অধীন দিনের মতো মনে হলেও আকাশ জুড়ে রাত ছড়িয়ে দিলো হীরের মতো তারার সাদা দাঁতদাঁতে রক্ত মুখে রক্ত রক্তমাখা চাঁদফ্লাটের গুহায় লুকিয়ে আছে ভ্যাম্পায়ারের ফাঁদফাঁদে পড়েই নিত্য মানুষ হারাচ্ছে সবকিছু হ্যামিলনের বংশীবাদক সব্বাই তার পিছুকোথায় যাবে কেউ জানে না মিনতরের ধাঁধাঁডাইনীদের খোঁয়াড়ে সব মানুষ-ভেড়া বাঁধামানুষ এখন ভেচড়া হচ্ছে ইঁদুর হচ্ছে পেঁচাউপার্জনের প্রধান উৎস মনুষ্যত্ব বেচা মনুষ্যত্ব বেচে দিলেই অর্জিত হয় সবভ্যাম্পায়ারের রাজত্বে আজ রক্তমদোৎসব উৎসবের আগুনে ছাই অমূল্য রুপকথা পাশা খেলায় প্রমাণ হবে কার বেশি যোগ্যতা সূর্য ডুবুক রাত্রি আসুক কি আসে যায় তাতে অন্ধকারেই বাঁচতে হবে দ্বন্দ্ব ও সংঘাতেএইচআর/পিআর