দেশজুড়ে

নববধূর গায়ে আগুন

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপে রিমা খাতুন (১৯) নামে এক নববধূর শরীর ঝলসে গেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমার স্বামী রাকিব হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে পৌরসভার ফোকপাল গ্রামে নববধূর শরীরে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করা হয় বলে স্বজনরা দাবি করেছেন। তবে কে বা কারা এই দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করেছে তা জানা যায়নি।

তবে পুলিশের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপে রিমা খাতুনের পুরো পিঠ ঝলছে গেছে। দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপের পর তার স্বজনরা প্রথমে নন্দীগ্রামের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সোমবার রাতে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশ খবর পেয়ে মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং নববধূর স্বামী রাকিব হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

নববধূ রিমার শ্বশুর আক্কাস আলী বলেন, ঘটনার সময় রিমা খাতুন তার শয়নকক্ষে বসে চুলে চিরুনি দিচ্ছিল। হঠাৎ তার পিঠে আগুন জ্বলতে দেখে চিৎকার করলে পরিবারের লোকজন এসে আগুন নিভিয়ে দেয়। পরে তাকে দগ্ধ অবস্থায় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। কে বা কারা শয়নকক্ষের জানালা দিয়ে তার শরীরে দাহ্য পদার্থ ছুড়েছে আমরা জানি না। তার পিঠের বেশির ভাগ অংশ ঝলসে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, ২৮ দিন আগে পৌরসভার ফোকপাল গ্রামের রাকিব হোসেনের সঙ্গে ঢাকইর গ্রামের রিমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের সংসারে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

থানা পুলিশের ওসি নাসির উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে কারো ছোড়া দাহ্য পদার্থে নববধূর শরীর ঝলছে গেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী রাকিব হোসেনকে আটক করা হয়েছে। তবে এই দাহ্য পদার্থ অ্যাসিড কিনা সেটাও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

লিমন বাসার/এএম/পিআর