টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক কুকুরের কামড়ে ৬ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মির্জাপুর পৌর এলাকার কুতুব বাজারের বিভিন্ন স্থানে ওই কুকুরটি পথচারীদের কামড়িয়ে আহত করে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন- পৌর এলাকার পোস্টকামুরী গ্রামের সিহাদ মিয়া (১১), আন্ধরা গ্রামের বৃষ্টি রাজবংশী (২০), রাজীব মিয়া (২৮), মিনতী সরকার (৪৫), রবি সূত্রধর (৬০) ও ফালু মিয়া (৩৫)।
এতে স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রী, শিশু ও পথচারীদের মধ্যে কুকুর আতঙ্ক বিরাজ করছে। কুকুরের কারণে সাধারণ মানুষের পথচলা যেমন মুশকিল হয়ে পড়েছে তেমনি ভয় পাচ্ছে স্কুলে যেতে।
জানা গেছে, মির্জাপুর পৌরসভাসহ উপজেলাব্যাপী কুকুরের আনাগোনা বেড়ে গেছে। কিন্তু কুকুর নিধনে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় মির্জাপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপও নিতে পারছেন না।
পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক, বিভিন্ন বাজার ও গ্রামের বিভিন্ন স্থানে দিনে-রাতে ১৫/২০টি করে কুকুর একসঙ্গে দল বেঁধে চলাচল করছে।
এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুর কামড়ানোর কোনো চিকিৎসা না পেয়ে রোগী নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে স্বজনদের। কুকুর কামড়ানো রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
মির্জাপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর চন্দনা দের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, পৌরসভার পক্ষ থেকে কুকুরে কামড়ানো রোগীকে কোনো ভ্যাকসিন দেয়া হয় না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, কুকুর কামড়ানোর ভ্যাকসিন, কুকুর বন্ধ্যাত্মকরণ পদ্ধতি বা জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধক ইনজেকশনের বরাদ্দ নাই। এ কারণে কুকুরে কামড়ানো রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
এরশাদ/এফএ/পিআর