জাগো জবস

আইইএলটিএসে ভালো স্কোর করবেন যেভাবে

আইইএলটিএস হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার একটি ইন্টারন্যাশনাল টেস্ট। প্রতিযোগিতাময় এই বিশ্বে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের অন্যতম হাতিয়ার। দেশের বাইরে মাইগ্রেশন বা পড়াশোনার জন্য এর বিকল্প নেই। বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ৩ মিলিয়নের বেশি মানুষ আইইএলটিএস পরীক্ষা দিচ্ছে। আজ আমরা আইইএলটিএসে ভালো স্কোর করার উপায় সম্পর্কে জানবো-

অনুশীলন: কোনো কিছু শেখার জন্য ধারাবাহিকতার বিকল্প নেই। যেহেতু আপনি একটি বিদেশি ভাষাকে আয়ত্ত করতে চাচ্ছেন, এর জন্য আপনাকে নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার জন্য প্রচুর প্র্যাক্টিস করতে হবে। ইংরেজি ওয়েবসাইট, নিউজ পেপার, ম্যাগাজিন, টিভি শো ইত্যাদি দেখতে হবে।

ধারণা: আইইএলটিএসের সব টেস্টের ব্যাপারে ধারণা থাকতে হবে। যেমন টাইমিং, ফরম্যাট, প্যাসেজ টাইপ, অডিও ট্র্যাক ও ইন্টারভিউ কোয়েশ্চন।

পরীক্ষা: নিজে নিজে পরীক্ষা করতে হবে। বিশেষভাবে লেখা ও পড়ার জন্য। অনেকেই ভালো ফলাফল আনতে পারেন না ফ্রি ডায়াগনস্টিক টেস্ট না করার কারণে। টেস্ট দেয়ার পর কি স্কোর আসে, সেটা দেখে অনেকটাই বুঝতে পারবেন ওভারঅল স্কোর কেমন হবে।

> আরও পড়ুন- ছোট আবিষ্কারও জীবন পাল্টে দিতে পারে

শব্দ ভান্ডার: একটি ভাষার প্রধান উপাদান এর শব্দ ভান্ডার। যাদের ভোকাব্যুলারি যত ভালো তারা তত বেশি আইইএলটিএসে ভালো স্কোর করে থাকেন। শব্দ ভান্ডার সমৃদ্ধ করার জন্য পকেট ডিকশনারি রাখতে পারেন।

প্রয়োগ: অনেক ভোকাব্যুলারি জানেন কিন্তু কোন কনটেস্টে তা ব্যবহার করতে হবে, তা জানেন না। তাহলে আপনি ইংরেজি বাক্য তৈরি করতে পারবেন না। তার জন্য আপনাকে ইংরেজি গ্রামার্টিক্যাল ব্যাপারগুলোর ওপর জোর দিতে হবে।

নোট টেকিং: আইইএলটিএসে ভালো স্কোর করতে হলে আপনাকে নোট ডাউন করা শিখতে হবে। আইইএলটিএসে নোট ডাউন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রি রাইটিং: প্রি রাইটিং হলো কোন কিছু বলা বা লেখার আগে নোট বা আউট লাইন। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইংরেজি স্পিকিং ও রাইটিংয়ের জন্য অবশ্যই টপিক কার্ড দেওয়া হবে। টপিক কার্ডের ওপর কোন কিছু লেখা বা বলার আগে প্রি রাইটিং করে নিতে পারেন।

ভিজুয়্যাল লিটারেসি: ইংরেজি রিডিংয়ের জন্য ভিজুয়্যাল লিটারেসি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এতে ভালো করতে হলে ভিজুয়্যাল লিটারেসি প্র্যাক্টিস করতে হবে। আপনার দর্শন শক্তি যদি ভালো থাকে তাহলে রিডিংয়ে ভালো করতে হবে।

> আরও পড়ুন- প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নোত্তর

কৌশল: প্রতিটি টেস্ট সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। মার্ক টেস্ট ও ডায়াগনস্টিক টেস্টের ওপর জোর দিতে হবে। কস্টিং টাইপ ও বেস্ট অ্যাপ্রোচসহ আনসার টেকনিক জানতে হবে।

যত্ন: অনেক অ্যাপ্লিকেন্ট পরীক্ষার সময় নিজের যত্ন নিতে ভুলে যান। যার জন্য একজন পরীক্ষার্থী আইইএলটিএস এক্সামিনেশন সিটে বসে স্থির থাকতে পারেন না। এজন্যই নিজের যত্ন নিতে হবে। যা পড়েছেন বা প্র্যাক্টিস করেছেন, তা পর্যাপ্ত হয়েছে বলে নিজের ওপর ভরসা রাখুন। সুস্থ ও সুন্দরভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

এসইউ/এমএস