দেশজুড়ে

নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করলেন লতিফ সিদ্দিকী

আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত দলের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নিজ বাসভবনে এ ঘোষণা দেন তিনি। এ সময় তার সমর্থকসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

আবদুল লতিফ সিদ্দিকী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন এবং রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা দেবেন বলে তার ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র আগেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।

রোববার আনুষ্ঠানিতভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন তিনি। সে লক্ষ্যে লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী-সমর্থকরা মোট ভোটারের এক শতাংশ স্বাক্ষর সংগ্রহ কার্যক্রম শেষ করেছেন।

পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে তাকে ভোট দিয়ে জয়ী করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে লতিফ সিদ্দিকীর সমর্থক গোষ্ঠীকে মাঠে নেমে তার পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

লতিফ সিদ্দিকীর ভাতিজা মোশারফ হোসেন সিদ্দিকী জানান, কালিহাতী উপজেলার প্রতিটি এলাকায় লতিফ সিদ্দিকীর গণভিত্তি রয়েছে। আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মীই তাকে চান। তাই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনের পর মহাজোট সরকারে লতিফ সিদ্দিকী পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। পরে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাংসদ নির্বাচিত হন। সে নির্বাচনের পর তিনি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কের একটি অনুষ্ঠানে হজ, তাবলিগ জামাত এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ সম্পর্কে মন্তব্য করে সমালোচিত হন। এ জন্য তাকে দল থেকে বহিষ্কার ও মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ করা হয়। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তার নামে বেশ কয়েকটি মামলা হয়। দেশে ফিরে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। কয়েক মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি লাভ করেন।

আরিফ উর রহমান টগর/এএম/জেআইএম