দেশজুড়ে

‘সাংবাদিক হইছেন তো কি হইছে’

সোনালী ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার কর্মকর্তাদের গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবাদ করলেই বেসরকারি ব্যাংকে চলে যেতে বলা হয় গ্রাহকদের। এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান শাখার ব্যবস্থাপক সত্যেন চন্দ্র দেবনাথের বিরুদ্ধে। গ্রাহকরা কোনো কাজ নিয়ে তার কক্ষে গেলেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার দুপুরে ওই শাখায় বিদুৎ সংযোগের জামানতের টাকা জমা দিতে গিয়ে সত্যেনের চরম দুর্ব্যবহারের শিকার হন দৈনিক মানবজমিনের নিজস্ব প্রতিবেদক জাবেদ রহিম বিজন ও দৈনিক নবচেতনার জেলা প্রতিনিধি শফিকুল আলম। দুপুর সোয়া ১টার দিকে ব্যাংকে গিয়ে কাউন্টারগুলোতে কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারীকে পাননি। দু-একজন ছিলেন, কিন্তু তারা বসে গল্প করছিলেন। তাদের একজন এটি জমা দেয়ার জন্যে দুপুর ২টার পর আসতে বলেন। পরে ব্যবস্থাপকের কক্ষে গিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম এ সময় বন্ধ থাকে কিনা জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন সত্যেন চন্দ্র দেবনাথ। তিনি বলেন, হুট করে ম্যানেজারের রুমে চলে আসে। ছাগল-পাগল সবই চলে আসে এখানে।

সত্যেনের এ কথার পর বিজন ও শফিকুল নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এরপর বলতে শুরু করেন ‘সাংবাদিক হইছেন তো কি হইছে। যান লিখেন গিয়া। অন্য ব্যাংকেতো কোনো বিরতি নেই বলার পর তিনি বলেন অন্য ব্যাংকে যা খুশি করুক। এই ব্যাংকে ভালো না লাগলে প্রাইভেট ব্যাংকে চলে যান’।

বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানান সাংবাদিক জাবেদ রহিম বিজন।

আজিজুল সঞ্চয়/এমএএস/এমএস