পাবনার সুজানগরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে নির্বাচনোত্তর সহিংসতায় যুবলীগ নেতাসহ তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্র ও গুলিসহ ৬ জনকে আটক করেছে সুজানগর থানা পুলিশ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর রোববার রাত ১০টার দিকে সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল মালিথার (৪০) সঙ্গে একই এলাকার হারুণ মেম্বর (৪৫) মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। হারুন মেম্বর সদ্য বিজয়ী আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফিরোজ কবিরের সমর্থক এবং কামাল মালিথা এমপি আজিজুল হক আরজুর সমর্থক।
রোববার নির্বাচনে ফিরোজ কবির জয়লাভ করার পরপরই হারুন মেম্বর অস্ত্র-শস্ত্রসহ কামাল মালিথার বাড়িতে হামলা চালায় বলে জানান স্থানীয়রা। এ সময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কামাল মালিথার ছোট ভাই জামাল মালিথাকে (৩০) এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে জামালসহ দুইজন আহত হন। পরে জামালকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।
সুজানগর থানার ওসি শরিফুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাতেই অভিযান চালিয়ে সুমনসহ (২৩) ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি দুইজন পলাতক।
গ্রেফতার অন্য পাঁচ আসামি হলেন- ইমদাদুল হক (২৫), সাদ্দাম হোসেন (২৫), মহিদুল ইসলাম (২৬), জাহাঙ্গীর আলম (২৫), আক্কাস সর্দার (৩০)।
একে জামান/আরএস/পিআর