দেশজুড়ে

আ.লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বাবা-ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বাবা-ছেলে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বাবা ফিরোজুর রহমান ও ছেলে শেখ ওমর ফারুকের প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি এখন আলোচনার শীর্ষে।

ফিরোজুর রহমান সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়ন পরিষদের টানা পাঁচবারের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য।

ফিরোজুর রহমান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড সদর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে মনোনয়ন দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়ার জন্য প্রাথমিকভাবে তৃণমূলের ভোটে তিনজনকে নির্বাচিত করা হয়। এরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন, সুলতানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান ও সদর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।

তবে তৃণমূলের ভোটে তৃতীয় হওয়া প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমকে দলের মনোনয়ন দেয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ফিরোজুর রহমান। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে কিভাবে তৃতীয়জনকে মনোনয়ন দেয়া হলো সেটা বুঝতে পারছি না। বাজারে খবর ছড়িয়েছে ‘এত কোটি’ টাকা দিয়ে মনোনয়ন এনেছে। তা না হলে তৃতীয়জন কিভাবে মনোনয়ন পায়?।

ভোটের মাঠে বাবা-ছেলের লড়াই সম্পর্কে জানতে চাইলে ফিরোজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, আমাকে বাদ দেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চলছে। যদি আমি বাদ যাই নির্বাচনটা করার জন্য আমার ছেলেকে রেখেছি। আর অন্যকিছু না।

এদিকে, বাবা-ছেলে ছাড়াও আরও তিনজন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী কাউছার মোল্লাহ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী সেলিম রেজা।

চতুর্থ ধাপে আগামী ৩১ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরসহ সাতটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সাত উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

আজিজুল সঞ্চয়/এএম/জেআইএম