পটুয়াখালীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোগাড়ি চলাচল কম থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ কর্মজীবী মানুষ। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন সড়কে অটোরিকশা ও অটোগাড়ি কম দেখা যায়। মোড়ে মোড়ে গাড়ির অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায় যাত্রীদের।
জানা যায়, রোববার জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ না থাকায় অটোরিকশা ও অটোগাড়িতে চার্জ দিতে পারেননি চালকরা। ফলে এসব গাড়ি সড়কে নামতে পারেনি। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
শহরের শেরে বাংলা সড়কের বাসিন্দা সিয়াম বলেন, ব্যাংকে টাকা জমা দিতে বাসা থেকে বের হয়েছি। কিন্তু সড়কে কোনো গাড়ি নেই। দু’চারটা অটো চলাচল করছে। চৌরাস্তা থেকে এসব অটোগাড়ি যাত্রীবোঝাই হয়ে আসছে। অনেক সময় গাড়ির জন্য অপেক্ষা করে হেঁটে গন্তব্যে রওনা দিয়েছি।
সিয়াম নামে এক শিক্ষার্থী জানায়, ক্লাস শেষ করে অনেক সময় দাঁড়িয়েছিলাম। কোনো অটোরিকশা ও অটোগাড়ি সড়কে নেই। দীর্ঘক্ষণ পর একটা গাড়ি আসলেও ওঠার জায়গা নেই। অনেক শিক্ষার্থী ভ্যান এবং হেঁটে বাসায় গেছে।
করিম মৃধা কলেজের শিক্ষার্থী রফিক মজুমদার বলেন, আজ শহরে রিকশা ও অটোগাড়ি অনেক কম। দু’চারটা গাড়ি চলাচল করলেও অধিক ভাড়া আদায় করছে। হঠাৎ কি জন্য গাড়ির সংকট দেখা দিয়েছে তা আমার জানা নেই।
স্থানীয় টমটমচালক শামিম বলেন, শহরে প্যাডেলচালিত রিকশা নেই বললেই চলে। সব অটোরিকশা এবং অটোগাড়ি। আজ শহরে অধিকাংশ গাড়ি নামেনি। তাই ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
পটুয়াখালী রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জামাল সরদার বলেন, কালকে শহরে বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোগাড়িতে চার্জ দেয়া যায়নি। ফলে আজ অধিকাংশ গাড়ি সড়কে নামতে পারেনি। গাড়ির সংকট থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। চার্জ শেষে এসব গাড়ি রাস্তায় নামলে সংকট কেটে দুর্ভোগ কমে যাবে।
পটুয়াখালী অটো শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফারুক বলেন, গতকাল শহরে বিদ্যুৎ ছিল না। ফলে রিকশা ও অটোগাড়িতে চার্জ দিতে পারেননি চালকরা। চার্জ না থাকায় অনেক রিকশা ও অটোগাড়ি সড়কে নামেনি। সকালে বিদ্যুৎ এসেছে। ব্যাটারিতে চার্জ হলে এসব গাড়ি সড়কে নামবে। বিকেলের মধ্যে সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এএম/পিআর