অর্থনীতি

টানা পতনের পর ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার

টানা তিন কার্যদিবস পতনের পর দেশের শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। সোমবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচক বেড়েছে। সেইসঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। তবে ডিএসইর লেনদেন তিন’শ কোটি টাকার ঘরেই রয়ে গেছে।

মূল্যসূচক বাড়লেও এ দিন ডিএসইতে দামের দিক থেকে শীর্ষ তালিকায় থাকা ৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬টিরই শেয়ার দাম কমেছে। অবশ্য দামি শেয়ারগুলোর দরপতন হলেও ডিএসই ও সিএসই দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে।

ব্যাংক, বীমা, আর্থিক, ওষুধ, প্রকৌশলসহ সবকটি খাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। ফলে ডিএসইতে সব খাত মিলে ১৮৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১১১টির। আর ৫০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের এমন দাম বাড়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৩০ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অপর দুটি সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৮০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২৮৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

মূল্যসূচক ও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ার দিনে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩৫৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। সে হিসেবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৩১ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে এ দিন ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশের শেয়ার। কোম্পানিটির ৪৬ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর পরেই রয়েছে গ্রামীণফোন। কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার। ২১ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের পরেই রয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন।

লেনদেনে এরপর রয়েছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, মুন্নু সিরামিক, ব্র্যাক ব্যাংক, জেএমআই সিরিঞ্জ, লিগাসি ফুটওয়্যার, প্রিমিয়ার ব্যাংক এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ২ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ২৩৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৪টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৮৪টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির।

এমএএস/এমএসএইচ/এমএস