ক্যাম্পাস

সিন্ডিকেট সভায় কার্যকরী সিদ্ধান্ত না আসলে ফের আন্দোলনের ঘোষণা

২৮ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় ৫ দফা দাবির বিষয়ে কার্যকরী সিদ্ধান্ত না এলে ফের কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাবির অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা কলেজের ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়। সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী কাজী নাসির। এ সময় সাত কলেজের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২৭ এপ্রিল সাত কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর সমস্যার বিষয়ে স্মারকলিপি জমা দেয় হবে। ২৮ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় সাত কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে আলোচনায় বসবেন ঢাবি উপাচার্য। সিন্ডিকেট সভা থেকে উপাচার্য সিদ্ধান্তের কথা জানার পর ২৯ এপ্রিল সকাল ১০টায় ঢাকা কলেজ ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এর আগে ৫ দফা দাবিতে টানা দুদিন আন্দোলনের পর গতকাল (বুধবার) ঢাবি প্রক্টরের আশ্বাসে আপাতত আন্দোলন স্থগিত করেন সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরে এদিন বিকেলে ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেন সাত কলেজের ১০ জন প্রতিনিধি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সাত কলেজকে অধিভুক্ত করা হলেও নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষাগ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ! বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে ডিগ্রি, অনার্স ও মাস্টার্সের প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর জীবন হুমকিতে পড়েছে।

তাদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ৯০ দিনের মধ্যে ত্রুটিমুক্ত ফলাফল প্রকাশ, ডিগ্রি পাস কোর্স, অনার্স ও মাস্টার্সে গণহারে ফেলের কারণ প্রকাশ, সাত কলেজ পরিচালনার স্বতন্ত্র প্রশাসনিক ভবন, সিলেবাস অনুযায়ী মানসম্মত প্রশ্নপত্র প্রণয়নসহ উত্তরপত্র মূল্যায়ন সস্পূর্ণভাবে সাত কলেজের শিক্ষক দ্বারা করা এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা।

এমবিআর/পিআর