গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কীটনাশক প্রয়োগ করে উঠতি তোষাপাটের ক্ষেত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। কীটনাশক প্রয়োগে ক্ষেত্রের ৮০ ভাগ ফসল পুড়ে গেছে বলে কৃষি বিভাগ নিশ্চিত করেছে।
উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী গ্রামের নেজাব উদ্দিন বেপারির ছেলে ফজলুর রহমানের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে প্রতিবেশী আবুল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলামের বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত রোববার দিবাগত রাতে ফজলুর রহমানের ৩৫ শতক জমির উঠতি তোষাপাট ক্ষেতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। এতে অধিকাংশ ফসল ফুড়ে যায়। ফজলুর রহমানের দাবি, শরিফুল তার জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করেছেন।
স্থানীয় কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, দীঘদিন ধরে ফজলুর রহমান ওই জমি চাষাবাদ করে আসছেন। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তোষাপাট চাষ করেন ফজলুর। তার ধারণা, প্রতিপক্ষরা বিষ প্রয়োগ করে ক্ষেত নষ্ট করেছে। এ ব্যাপারে শরিফুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।
চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফুল মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, শত্রুতামূলক এ কাজ করা হয়েছে। এটি চরম বর্বরতার কাজ।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জানান, তোষাপাট ক্ষেত সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে, শত্রুতামূলক কে বা কারা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কীটনাশক প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করেছে। ফসলের শতকরা ৮০ ভাগ পুড়ে গেছে।
সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আব্দুস সোবহান জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জাহিদ খন্দকার/এমএআর/পিআর