খেলাধুলা

সত্যিকারের অলরাউন্ডার তো তারাই

ক্রিকেটে একাধারে যারা ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই পারদর্শী যারা, তাদের বলা হয় অলরাউন্ডার। তবে মাঠে যদি এর বাইরে কেউ অলরাউন্ডার থেকে থাকেন, তারা হলেন উইকেটরক্ষক। কারণ, দলে তাদের ভূমিকাও থাকে একাধিক। শুধু উইকেটের পেছনটা সামাল দেয়াই নয়, আধুনিক ক্রিকেটে উইকেটরক্ষকদের হতে হয় ঝানু ব্যাটসম্যানও।

এ ছাড়াও উইকেটের পেছন থেকে পুরো মাঠ দেখা যায় বিধায় ফিল্ডিং সাজাতে তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশেষ করে যেসব উইকেটরক্ষক দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তাদের পক্ষে ফিল্ডিংয়ের সময় দল পরিচালনা করাটাও এক প্রকার সহজ হয়ে যায়।

এবারের বিশ্বকাপে প্রতিটি দলে থাকা এসব সত্যিকারের অলরাউন্ডার কারা, তাদের নিয়েই জাগো নিউজের এই আয়োজন...।

মুশফিকুর রহীম (বাংলাদেশ)

একমাত্র দল হিসেবে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে তিন উইকেটরক্ষক রয়েছে বাংলাদেশের। যদিও উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহীমই টাইগারদের প্রথম পছন্দ। লিটন দাস ও মোহাম্মদ মিথুন স্কোয়াডে থাকলেও তাদের উইকেটের পেছনে দাঁড়ানোর সুযোগ কম। শুধুমাত্র কোনো কারণে মুশফিক একাদশে না থাকলেই হয়তো উইকেটের পেছনে দাঁড়াতে পারবেন তারা।

এদিকে অভিজ্ঞতা আর বিচক্ষণতায় এবারের বিশ্বকাপের শীর্ষ উইকেরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলতে যাচ্ছেন মুশফিক। বাংলাদেশের বিখ্যাত পঞ্চপাণ্ডবের একজন তিনি। হতে পারেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার ট্রাম্পকার্ড।

মাঠে ফিল্ডিং সাজাতে বড় ভূমিকাও পালন করবেন মুশফিক। সে সঙ্গে তার দায়িত্বশীল ব্যাটিংও কাজে আসবে দলের। ২০০৬ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া মুশফিক বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক (৫৫৫৮ রান)। ২০৫ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৩৩টি অর্ধশতকের পাশাপাশি ৬টি শতক রয়েছে তার।

উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে ২০৫ ম্যাচে ক্যাচ ধরেছেন ১৬৭টি। এছাড়া স্ট্যাম্পিং করেছেন ৪২টি। মোট ডিসমিসাল ২০৯টি। বিশ্বকাপে খেলেছেন মোট ২১ ম্যাচ। ব্যাট করেছেন ২০ ম্যোচে। ৩১.৮৭ গড়ে করেছেন ৫১০ রান। সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৮৯। এর মধ্যে ডিসমিসাল রয়েছে ১৮টিতে।

মহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত)

বয়স প্রায় ৩৮! এরপরও ভারতের উইকেটের পেছনে এখনো মহেন্দ্র সিং ধোনির সমতুল্য হতে পারেনি কেউ। স্কোয়াডে নিনেশ কার্তিক থাকলেও তাই ২০০৭,২০১১ এবং ২০১৫ বিশ্বকাপের পর আরও একবার ভারতের উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব সামলাতে দেখা যাবে ধোনিকে।

এ ছাড়াও টিম ইন্ডিয়ার অঘোষিত অধিনায়কও বলা হয় ধোনিকে। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে ভারত এবারের বিশ্বকাপ খেলতে গেলেও, ধোনির উপরই নির্ভর করবে ভারতীয়দের বিশ্বকাপ ভাগ্য। অধিনায়ক হিসেবে ২০১১ বিশ্বকাপ জেতা ধোনি সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতেও রয়েছেন দারুণ ছন্দে। বিশ্বকাপে তিনি যে তাই প্রতিপক্ষের জন্য ত্রাস হয়ে দেখা দিতে যাচ্ছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

২০০৪ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া ধোনি এখন পর্যন্ত খেলেছেন, ৩৪১ ওয়ানডে। ৫০ এর অধিক গড়, ৭১ ফিফটি আর ১০ সেঞ্চুরিতে তার রানসংখ্যা ১০,৫০০ - যা ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে ১১তম সর্বোচ্চ।

ভারতের হয়ে খেলা ৩৩৮ ম্যাচে ধোনির ডিসমিসালের সংখ্যা ৪২৮টি। এর মধ্যে ক্যাচ ধরেছেন ৩১১টি এবং স্ট্যাম্পিং করেছেন ১১৭টিতে। বিশ্বকাপে খেলেছেন মোট ২০ ম্যাচ। ব্যাট করেছেন ১৭টিতে। ৪২.২৫ গড়ে তিনি রান করেছেন ৫০৭। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৯১। এই সর্বোচ্চ ইনিংসটি দিয়েই ভারতকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন তিনি। বিশ্বকাপে ডিসমিসাল ৩২টি। এর মধ্যে ২৭টি ক্যাচ এবং ৫টি হচ্ছে স্ট্যাম্পিং।

জস বাটলার (ইংল্যান্ড)

স্কোয়াডে দুই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান রেখেছে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ইংল্যান্ড। তবে উইকেটের পেছনে দলের প্রথম পছন্দ বিধ্বংসী ফর্মে থাকা জস বাটলার। দলের আরেক উইকেটরক্ষক জনি বেয়ারেস্টো। বিশ্বকাপ ঘরের মাঠে হওয়ায় এবারই বিশ্বকাপ জেতার বেশ বড় সম্ভাবনা রয়েছে ইংল্যান্ডের।

সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে বাটলারকে সামনে থেকেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। উইকেটরক্ষকের পাশাপাশি দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান তিনি। বড় সংগ্রহ পেতে হলে তাই বাটলারের ব্যাটের দিকে চেয়ে থাকবে দল। এদিকে ছন্দে রয়েছেন বাটলার নিজেও।

ইংল্যান্ডের রঙিন পোশাকে ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে রয়েছেন তিনি। ২০১২ সালে অভিষেক হওয়া এই ক্রিকেটার এখন পর্যন্ত থ্রি-লায়ন্সদের হয়ে খেলেছেন ১৩১টি ওয়ানডে। এ সময়ে ১৮ ফিফটি আর ৮ সেঞ্চুরিতে প্রায় ৪২ গড়ে তার উইলো থেকে এসেছে ৩৫৩১ রান।

ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা ১৩১ ম্যাচে বসে রয়েছেন সর্বোচ্চ ডিসমিসালের তালিকায়। ১৮৮টি ডিসমিসাল করেছেন তিনি। এর মধ্যে ১৫৯টি ক্যাচ এবং স্ট্যাম্পিং রয়েছে ২৯টি। সাবেক অধিনায়ক অ্যালেক স্টুয়ার্ট ১৭০ ম্যাচে ডিসমিসাল করেছেন ১৬৩টি। বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচ খেলে ৮টি ডিসমিসাল করেছেন বাটলার। এর মধ্যে ৮টিই ক্যাচ। এই ৬ ম্যাচে রান করেছেন ৩৫.২৫ গড়ে ১৪১। সর্বোচ্চ ৬৫ রান।

টম ল্যাথাম (নিউজিল্যান্ড)

সত্যিকারার্থে একজন অলরাউন্ডার। নিউজিল্যান্ডের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি মিডিয়াম পেস বোলিংও করতে পারেন। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, বাঁহাতি ব্যাট করা লাথাম বল করেন ডানহাতে।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১ উইকেট নেয়ার রেকর্ডও আছে তার। তবে লাথামের প্রধান অস্ত্র হচ্ছে তার ব্যাটিং ও উইকেটকিপিং। এ বছর বাংলাদেশে বিপক্ষে ওয়ানডেতে ১৬১ রানের একটি ইনিংসও খেলেছেন লাথাম। ৮৫ ওয়ানডে খেলা এই কিউই ব্যাটসম্যান ৪ সেঞ্চুরি আর ১৫ হাফ সেঞ্চুরিতে ৮৫ ওয়ানডে খেলে নিজের ঝুলিতে ভরেছেন ২৩৯৫ রান।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৮৫ ম্যাচে ৩৯টি ডিসমিসাল করেছেন টম ল্যাথাম। এর মধ্যে ক্যাচ ধরেছেন ৩২টি এবং স্ট্যাম্পিং করেছেন ৭টি। এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ল্যাথাম।

সরফরাজ আহমেদ (পাকিস্তান)

এবারের বিশ্বকাপের একমাত্র উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান যিনি দলের অধিনায়কও। এই বিশ্বকাপে মূলতঃ তার উপরই চেয়ে থাকবে পাকিস্তানি টিম ম্যানেজমেন্ট। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা রানে থাকলেও মিডল অর্ডারে তেমন সুবিধা করতে পারছে না কেউ। তাই বড় সংগ্রহ পেতে জ্বলে উঠতে হবে সরফরাজকে।

তার দক্ষ উইকেট কিপিংয়ের পাশাপাশি অধিনায়কত্ব এবং ব্যাটিং পাকিস্তানকে এনে দিতে পারে দারুণ সাফল্য। ২০০৭ সালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে রঙিন পোশাকে অভিষেক হলেও, জাতীয় দলে সরফরাজ নিয়মিত ২০১৫ বিশ্বকাপের পর থেকে। ২০১৭ সালে আজহার আলিকে অধিনায়কত্বের পদ থেক সরিয়ে দেয়ায় দলের নেতৃত্ব পান সরফরাজ। ওয়ানডেতে ১০৬টি ম্যাচ খেলা সরফরাজ এ পর্যন্ত নিজেকে তেমন একটা মেলে ধরতে না পারলেও বিশ্বকাপে তার অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের দিকে চেয়ে থাকবে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের হয়ে ১০৬ ম্যাচে তার নামের পাশে যোগ হয়েছে ১২২টি ডিসমিসাল। এর মধ্যে ক্যাচ ৯৯টি এবং ২৩টি রয়েছে স্ট্যাম্পিং। বিশ্বকাপে খেলেছেন কেবল ৩ ম্যাচ। ডিসমিসাল ৬টি। সবগুলোই ক্যাচ। কোনো স্ট্যাম্পিং নেই। এই তিন ম্যাচে রান করেছেন ১৬০। এর মধ্যে একটি সেঞ্চুরিও রয়েছে। অপরাজিত ছিলেন ১০১ রানে।

কুইন্টন ডি কক (দক্ষিণ আফ্রিকা)

দক্ষিণ আফ্রিকা দলে একমাত্র উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে রয়েছেন ওপেনার কুইন্টন ডি কক। শুধুমাত্র উইকেটরক্ষক হিসেবে নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার দলের অন্যতম বড় ব্যাটিং ভরসাও তিনি।

এবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নস মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে দারুণ একটি মৌসুম কাটিয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও প্রোটিয়াদের হয়েও শেষ এক বছরে ধারাবাহিকভাবে রান করে যাচ্ছেন ডি কক। তার ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর থেকে প্রোটিয়াদের হয়ে রঙিন পোশাক গায়ে তিনি ১০৬টি ওয়ানডে খেলে ১৪টি সেঞ্চুরি আর ২১টি ফিফটির সাহায্যে ৪৬০২ রান করেছেন।

প্রোটিয়াদের হয়ে ১০৬ ম্যাচে উইকেটের পিছনে দাঁড়িয়ে ডিসমিসাল করেছেন ১৫৭টি। এর মধ্যে ক্যাচ ধরেছেন ১৪৯টি এবং স্ট্যাম্পিং ৮। বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচ খেলে ডিসমিসাল করেছেন ১০টি। এর মধ্যে ক্যাচ ৯টি এবং স্ট্যাম্পিং ১টি। ব্যাট হাতে এই ৮ ম্যাচে রান করেছেন ১৪৫। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭৮।

সাই হোপ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

বিশ্বকাপের আগে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান সাই হোপ। সম্প্রতি বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা ত্রিদেশীয় সিরিজে হয়েছেন সিরিজ সেরা। বিশ্বকাপে ক্যারিবীয় দলের ব্যাটিং স্তম্ভের তাই বড় অস্ত্র হতে চলেছেন হোপ। বার্বাডোজের এই ক্রিকেটারের ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০১৬ সালে। এরপর থেকেই উইন্ডিজ দলে প্রায় নিয়মিত মুখ তিনি। এখন পর্যন্ত, ৬ সেঞ্চুরি আর ১০ ফিফটিতে ৫১ গড়ে তার সংগ্রহ ২২৪৭ রান।

এখনও পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৫৪ ম্যাচে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়েছেন হোপ। এর মধ্যে ডিসমিসাল করেছেন ৫৭টি। ক্যাচ ধরেছেন ৪৮টিতে এবং স্ট্যাম্পিং করেছেন ৯টিতে। এবারই প্রথম খেলবেন বিশ্বকাপে।

কুশল মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা)

এবারের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার স্কোয়াড তেমন আশা জাগানিয়া নয়। হতশ্রী দলের হাল। তবে ব্যাটিং অর্ডারে কুশল মেন্ডিস হয়ে উঠতে পারেন লঙ্কানদের ত্রাতা। এই বিশ্বকাপে মেন্ডিসকে কেউ সেরা উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানদের তালিকায় না রাখলেও, ব্যাট হাতে চমকে দেয়ার সামর্থ্য রয়েছে তার। তাই দলে কুশল পেরেরা থাকলেও উইকেটের পেছনে প্রথম পছন্দ হবেন মেন্ডিসই।

ওয়ানডেতে ২০১৬ সালে অভিষিক্ত হলেও এখনো নিজের নামের প্রতি তেমন সুবিচার করতে পারেননি মেন্ডিস। এখন পর্যন্ত ৬৩টি ওয়ানডে খেলে ২৮.৬৭ গড়ে তিনি করেছেন ১৬৯২ রান। ১৫টি ফিফটি হাঁকালেও, সেঞ্চুরি মাত্র ১টি।

উইকেটের পেছনের রেকর্ডও যে তার খুব ভালো তেমন নয়। গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়ানোও শুরু করেছেন মাত্র ক’দিন আগে। ৬৩ ম্যাচে ডিসমিসাল মাত্র ২টি। দুটিই ক্যাচ। কোনো স্ট্যাম্পিং নেই। বিশ্বকাপে খেলবেন এবারই প্রথম।

মোহাম্মদ শাহজাদ (আফগানিস্তান)

আফগানিস্তান দলের বড় তারকারের একজন হলেন মোহাম্মদ শাহজাদ। বেশ স্বাস্থ্যবান হলেও, উইকেটের পেছনে তার পারফরম্যান্স দৃষ্টিকাড়ার মতো। এ ছাড়া ইনিংস ওপেন করতে নেমে ধুন্ধুমার ব্যাটিং করতেও জুড়ি মেলা ভার শাহজাদের। বিশ্বকাপে তাই সেমিফাইনালের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে যাওয়া আফগানদের তুরুপের তাস হতে যাচ্ছেন তিনি।

২০০৯ সালে অভিষেক হওয়া এই ক্রিকেটার এখন পর্যন্ত ৮১টি ওয়ানডে খেলে নিজের নামের পাশে যোগ করেছেন ২৬১৯ রান। সেঞ্চুরি আছে ৫টি আর হাফ সেঞ্চুরি ১৪টি।

আফগানিস্তনের হয়ে মোট ৮২ ম্যাচে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়েছেন শাহজাদ। ডিসমিসাল করেছেন ৮৬টি। ৬১টি নিয়েছেন ক্যাচ এবং ২৫টি করেছেন স্ট্যাম্পিং। এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন তিনি।

অ্যালেক্স ক্যারে (অস্ট্রেলিয়া)

অস্ট্রেলিয়ার এবারের বিশ্বকাপ দলে একমাত্র উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে জায়গা পেয়েছেন অ্যালেক্স ক্যারে। তবে খুব বেশি নয়, ২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষিক্ত হওয়া ক্যারে এখন পর্যন্ত খেলেছে মাত্র ১৯টি ওয়ানডে।

তবুও এবারের বিশ্বকাপে অ্যারোন ফিঞ্চের তুরুপের তাস হতে পারেন তিনি। কারণ অভিষেকের পর থেকে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করে চলেছেন ক্যারে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১ ফিফটিতে তার রানসংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৪২৯। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে ক্যাচ ধরেছেন ১৬টি। স্ট্যাম্পিং করেছেন ৩টি।

এসএস/আইএইচএস/আরআইপি