দেশজুড়ে

নুরের নিরাপত্তায় বিলম্বিত চট্টলার যাত্রা

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরকে ঘিরে উত্তেজনা দেখা দেয়ায় তার নিরাপত্তার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ঘণ্টাব্যাপী থামিয়ে রাখা হয়েছিল চট্টলা এক্সপ্রেস। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ঢোকার অনুমতি না দেয়ায় শনিবার বিকেল ৪টা ৩৩ মিনিট থেকে ৫টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ট্রেনটি আটকে থাকে তালশহর রেলওয়ে স্টেশনে।

ট্রেনটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। এ ট্রেনের ‘ঝ’ বগিতে ভিপি নুরুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি ইফতার অনুষ্ঠানে আসছিলেন। তবে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পন্ড হয় সেই অনুষ্ঠান।

আগের সংবাদটি পড়ুন : ভিপি নুরের ইফতার বন্ধ করে দিল ছাত্রলীগ

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের গ্রান্ড এ মালেক চাইনিজ রেস্টুন্টে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষ পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখা। এতে প্রধান অতিথি করা হয় ডাকসুর ভিপি নুরুল হককে। এ খবর পেয়ে ভিপি নুরকে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বিকেলে গ্র্যান্ড এ মালেক রেস্টুরেন্টে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ইফতার অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করে সাধারণ ছাত্র ঐক্য পরিষদ ও রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ভিপি নুরকে প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়ায় শহরে উত্তেজনা দেখা দেয়। রেলওয়ে স্টেশনে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য অবস্থান নেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে চট্টলা এক্সপ্রেস তালশহর রেলওয়ে স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ট্রেনের যাত্রীরা। পরে রেলওয়ে পুলিশ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের একটি দল তালশহর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে ভিপি নুরের সঙ্গে কথা বলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে আসেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী মাস্টার মো. মাঈনুল হক জাগো নিউজকে জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে লাইন ক্লিয়ারেন্স দেয়া হয়নি। ফলে ট্রেনটি তালশহর রেলওয়ে স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর ট্রেনটিকে ক্লিয়ারেন্স দেয়া হয়।

আজিজুল সঞ্চয়/এমএএস/এমএস