জাতীয়

চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন উন্নয়নে আইন পাস

চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের জন্য দক্ষ, যোগ্য কলাকুশলী ও নির্মাতা সৃষ্টির জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি, কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে প্রয়োজনীয় বিধান করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল-২০১৯ পাস হয়েছে।

বৃহষ্পতিবার (১১ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংশোধিত আকারে এটি পাস হয়েছে। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।

বিলে বিদ্যমান আইনে দফায় ইনস্টিটিউটের গভর্নিং বডিতে একজন শিক্ষক ও একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাসহ অন্যূন ৪ থেকে ৬ জন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বরেণ্য ব্যক্তিত্বকে অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রাখা হয়। বিলে গভর্নিং বোর্ডের সদস্যদের মেয়াদ ৩ বছরের পরিবর্তে ২ বছর করা করা হয়েছে।

এছাড়া বিলে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার বিধান করা হয়।

সংসদে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল, ২০১৯ উত্থাপন

ইউনেস্কোর সাথে চুক্তির শর্ত পূরণ করতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের প্রধানের পদবি এবং পরিচালনা বোর্ড গঠন-কাঠামোয় কয়েকটি সংশোধনীর প্রস্তাব করে সংসদে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল, ২০১৯ উত্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ বিল উত্থাপন করেন।

বিলে শিক্ষামন্ত্রী বা তার প্রতিনিধিকে চেয়ারম্যান করে ৬ সদস্যের পরিচালনা বোর্ড গঠনের প্রস্তাব করা হয়। বোর্ডের সদস্যদের দায়িত্ব পালনের কার্যকাল ৩ বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া বিলে মূল আইন অনুযায়ী মহাপরিচালকের অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত পরিচালককে অথবা সরকার মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দায়িত্ব প্রদানের বিধানেরও প্রস্তাব করা হয়।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে সংসদে রিপোর্ট প্রদানের জন্য বিলটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

এইচএস/আরএস/পিআর