খেলাধুলা

মুমিনুল-শান্তর সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড়ে বিসিবি একাদশ

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের আমন্ত্রণে মিনি রঞ্জি ট্রফি খেলতে এখন সেখানে অবস্থান করছে বিসিবি একাদশ। গতকাল (বুধবার) ভিদারবা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছে তারা।

চারদিনের ম্যাচের প্রথম দিনেই দাপট দেখিয়েছে বিসিবি একাদশ। জহুরুল হকের ৯৬ রান এবং মুমিনুল হকের অপরাজিত ১৫৭ রানে দিন শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৩০৩ রান তোলে তারা। প্রথম দিন যেখানে শেষ করেছেন দ্বিতীয় দিন যেন সেখান থেকেই শুরু করলেন অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান মুমিনুল ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

তবে প্রথম সেশনে সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রুপান্তরিত করার আগেই আউট হয়ে যান মুমিনুল। ২২ চার ও ১ ছয়ে ১৬৯ রান করে দারশান নানকান্দের বলে বিদায় নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। তিনি আউট হওয়ার পর ৩৫৪ রানের মধ্যেই ইয়াসির আলি ও নুরুল হাসান সোহানকে হারায় বিসিসবি একাদশ। ফলে শঙ্কা জাগে ব্যাটিং বিপর্যয়ের।

বিপদের এই শঙ্কা কাটিয়ে নিজেদের মধ্যে দারুণ এক জুটি গড়ে ফেলেন শান্ত এবং আরিফুল হক। ধীরে সুস্থে খেলে দলকে ৪৫০ রান পার করান এ দু’জন। এর মাঝে নিজের ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি তুলে নেন শান্ত। কিন্তু সেঞ্চুরিকে খুব বেশি বড় করতে পারেননি তিনি। দলীয় ৪৮০ রানে ব্যক্তিগত ১১৮ রান করে আউট হন এই ব্যাটসম্যান। ফলে ভাঙে ১২৬ রানে জুটি।

এরপর খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আরিফুল হকও। দলীয় ৪৯৮ রানে সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তিনি। ৫ চার ও সমান ছয়ে ৭৭ রান করেন তিনি। দলীয় সংগ্রহ ৫০০ রানে পৌঁছালেই ইনিংস ঘোষণার ইশারা দেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। নাঈম হাসান ১ রান ও তাইজুল ইসলাম ২ রানে অপরাজিত থাকেন।

বড় এই সংগ্রহের জবাব ব্যাটিংয়ে নেমে খুব ভালোভাবেই দিতে থাকে ভিদারবা। উদ্বোধনী জুটিতে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন দুই ওপেনার সঞ্জয় এবং অক্ষয় কোলহার। উইকেট না হারিয়ে নিজেদের মধ্যে শতরানের জুটি গড়ে ফেলেন তারা।

মনে হচ্ছিল এভাবেই দিনটা পার করে দেবেন এই দুই ব্যাটসম্যান। তবে দিনের অন্তিম মুহূর্তে এসে সঞ্জয়কে স্ট্যাম্পিংয়ে ফাঁদে ফেলেন তাইজুল ইসলাম। ফলে ভাঙে ১১৪ রানের জুটি। শেষ ওভারে আর কোনো রান না হওয়া ওই রানেই শেষ হয় খেলা। শূন্য রানে আথার্ভা দেশপান্ডে এবং ৬২ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন অক্ষয়। ৩৮৬ রানে এগিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করবে বিসিবি একাদশ।

এএইচএস/আইএইচএস/এমকেএইচ